সোয়াট ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট মোতায়েন

ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে নজিরবিহীন নিরাপত্তা

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:০৩ পূর্বাহ্ন, ১৪ অক্টোবর ২০২৫ | আপডেট: ১০:০৩ পূর্বাহ্ন, ১৪ অক্টোবর ২০২৫
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত


ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় নেয়া হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা। রাজধানীর বারিধারা এলাকায় অবস্থিত এই দূতাবাসের চারপাশে সোমবার (১৪ অক্টোবর) রাত থেকেই মোতায়েন করা হয়েছে ডিএমপির বিশেষায়িত সোয়াট টিম, কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট, বোম্ব ডিসপোজাল টিম ও অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ধানমণ্ডি ও গুলশান লেকের সংস্কার ও উন্নয়ন এবং এসটিপি-সংক্রান্ত বৈঠক

সূত্র জানায়, দূতাবাস কর্তৃপক্ষের কাছে থাকা গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, তিনজন বাংলাদেশি নাগরিক হামলার পরিকল্পনা করছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তাদের নাম, ঠিকানা ও ছবি ইতোমধ্যে ডিএমপি ও সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সংস্থার হাতে পৌঁছেছে। এরপরই দূতাবাসের অনুরোধে পুলিশ দ্রুত নিরাপত্তা জোরদার করে।

মাঠপর্যায়ে তৎপরতা বাড়ানোর পাশাপাশি ডিএমপির গুলশান বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরেজমিনে নিরাপত্তা তদারকি করছেন। সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে গুলশান বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার (ডিসি) আলী আহমেদ মাসুদ জানান, “এটি আমাদের রুটিন নিরাপত্তা ডিউটির অংশ। কখনও ঝুঁকি মনে হলে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নিই। বর্তমানে সোয়াট ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট মোতায়েন আছে, আমি নিজেও ঘটনাস্থলে আছি।”

আরও পড়ুন: ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের জানাজায় অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

গোয়েন্দা সূত্রগুলো জানিয়েছে, মার্কিন দূতাবাসের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা সংক্রান্ত হুমকি বিষয়ে অবহিত হওয়ার পর পুলিশের এন্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ), সিটিটিসি এবং ডিএমপির ডিপ্লোম্যাটিক সিকিউরিটি বিভাগ একযোগে নিরাপত্তা কৌশল গ্রহণ করে। রাত ৯টার পর থেকেই পুরো দূতাবাস এলাকায় কঠোর নজরদারি চালু হয়।

এরপর থেকে দূতাবাস ও আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত নিরাপত্তা চৌকি, নজরদারি ক্যামেরা এবং টহল টিম। সিটিটিসি কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং হুমকি মোকাবিলায় করণীয় বিষয়ে সমন্বয় করছেন।

পুলিশের একাধিক সূত্র জানায়, এ ধরনের ব্যবস্থা মূলত ‘প্রিভেনটিভ সিকিউরিটি অপারেশন’ হিসেবে নেওয়া হয়েছে, যাতে যেকোনো সম্ভাব্য হুমকি আগেই প্রতিহত করা যায়।