গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৮:৪৪ অপরাহ্ন, ১৯ মে ২০২৬ | আপডেট: ১১:২৮ পূর্বাহ্ন, ২০ মে ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার (১৯ মে) বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪৬তম জাতীয় সমাবেশ-২০২৬ উপলক্ষে বাহিনীর সব পর্যায়ের কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং তৃণমূলের আনসার-ভিডিপি সদস্যদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ধানমণ্ডি ও গুলশান লেকের সংস্কার ও উন্নয়ন এবং এসটিপি-সংক্রান্ত বৈঠক

একই সঙ্গে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বাহিনীর ৬৭০ জন শহিদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের যেকোনো প্রয়োজনে এই বাহিনীর সদস্যদের সময়োপযোগী ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি উল্লেখ করেন, ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রশংসনীয় দায়িত্ব পালন করেছে।

আরও পড়ুন: ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের জানাজায় অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মধ্যেও দেশ গণতন্ত্রের পথে অগ্রসর হচ্ছে। সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গণতন্ত্রকে আরও প্রাতিষ্ঠানিক করার লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের “আমাদের হাত কোটি হাতিয়ার, অঙ্গীকার আমাদের দেশ গড়বার”—এই দর্শন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আনসার-ভিডিপি দেশব্যাপী উন্নয়ন ও নিরাপত্তা কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তিনি বলেন, গ্রাম ও শহরে নিরাপদ সমাজ গঠন, নাগরিক অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং বিভিন্ন সেবা কার্যক্রম বাস্তবায়নে এই বাহিনী সরকারের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে কাজ করছে।

আনসার-ভিডিপির উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, বৃক্ষরোপণ, পরিবেশ সুরক্ষা, খাল খনন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, খাদ্য নিরাপত্তা ও পুনর্বাসন কার্যক্রমে এই বাহিনীর নেটওয়ার্ক কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

তিনি উল্লেখ করেন, দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা—শিল্প-কারখানা, হাসপাতাল ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন খাতে ৫২ হাজারের বেশি অঙ্গীভূত আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারুণ্যই দেশের শক্তি। দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুবসমাজকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে আনসার-ভিডিপির ভূমিকা প্রশংসনীয়।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আনসার-ভিডিপির সদস্যদের অংশগ্রহণে ভবিষ্যতে প্রতিটি গ্রাম আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে।

শেষে তিনি বাহিনীর উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেন এবং দেশ গঠনে তাদের অব্যাহত অবদানের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেন।