সব বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতালে লেবার রুম বাধ্যতামূলক, না মানলে বন্ধের হুঁশিয়ারি

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ২:৫৮ অপরাহ্ন, ০৬ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ৪:০৮ অপরাহ্ন, ০৬ জুলাই ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

দেশের সব বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালকে নরমাল ডেলিভারির জন্য বাধ্যতামূলকভাবে মানসম্মত লেবার রুম স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। একই সঙ্গে নরমাল ডেলিভারি সেবা নিশ্চিত করতে মিডওয়াইফ নিয়োগও বাধ্যতামূলক করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানীতে বাংলাদেশ মিডওয়াইফারি সোসাইটি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি প্রসূতি মায়ের নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করতে সব বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালে মানসম্মত লেবার রুম থাকা অত্যন্ত জরুরি। এ বিষয়ে কোনো ধরনের গাফিলতি বা অবহেলা সহ্য করা হবে না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লেবার রুম স্থাপন ও মিডওয়াইফ নিয়োগের নির্দেশনা বাস্তবায়ন না করলে সংশ্লিষ্ট ক্লিনিক বা হাসপাতালের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজন হলে তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ারও নির্দেশনা দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: গুলশানের বাসভবনে ‘বিশেষ শ্রেণির’ কেপিআই ঘোষণা

ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গত দুই মাস ধরে উপজেলা পর্যায়ে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পরিচ্ছন্নতা অভিযানের পাশাপাশি মশার লার্ভা ধ্বংসে আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় ট্যাবলেট সরবরাহ করা হবে।

তিনি আরও জানান, ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার জন্য দেশের হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত শয্যার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় মোবাইল স্বাস্থ্যসেবাও চালু রয়েছে। কিছুদিন স্যালাইনের ঘাটতি থাকলেও বর্তমানে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন: দেশে ৩১টি শিপ রিসাইক্লিং ইয়ার্ড গ্রিন লাইসেন্স অর্জন করেছে : শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী

ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার বিষয়ে চিকিৎসকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, জ্বর কমে গেলেই কোনো রোগীকে হাসপাতাল থেকে ছাড় দেওয়া যাবে না। চিকিৎসক সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট না হওয়া পর্যন্ত রোগীকে পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে। বিশেষ করে প্লাজমা লিকেজের সম্ভাবনা রয়েছে কি না, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করা এবং ডেঙ্গু মোকাবিলায় স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা আরও জোরদার করতে সরকার এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে বলে অনুষ্ঠানে উল্লেখ করা হয়।