আইএমএফের ঋণ পেতে শর্ত পূরণ করতে হবে: অর্থমন্ত্রী

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩:৫৬ অপরাহ্ন, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ৫:২৬ অপরাহ্ন, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছ থেকে ঋণ সহায়তা পেতে হলে সংস্থাটির নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তবে নতুন ঋণ কর্মসূচির বিভিন্ন শর্ত নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় পৌঁছানোর সুযোগ রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) থাইল্যান্ডের ব্যাংককে আইএমএফের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর নাইজেল ক্লার্কের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

আইএমএফের সঙ্গে নতুন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে আমির খসরু বলেন, ঋণ নিতে হলে শর্ত থাকবে এবং সেগুলো পূরণ করতে হবে। তবে কিছু বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব।

আরও পড়ুন: কৃষককে কেন্দ্রবিন্দুতে রেখেই কৃষিখাতের নীতি ও প্রযুক্তি নির্ধারণ করতে হবে: জহির উদ্দিন স্বপন

নতুন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কর্মসূচির আওতায় কী ধরনের শর্ত থাকবে এবং সেগুলো কীভাবে পূরণ করা হবে, তা নিয়ে আরও আলোচনা প্রয়োজন। কিছু বিষয়ে দুই পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতে সমাধান করা হবে।

অর্থমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত, কর-জিডিপি অনুপাত, ব্যাংকের পুনঃমূলধনীকরণ এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আইএমএফের পর্যবেক্ষণ রয়েছে। এসব বিষয়ে বাংলাদেশেরও সম্মতি রয়েছে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন: সরকারি কেনাকাটা ও দরপত্র স্থগিত করল স্থানীয় সরকার বিভাগ

আমির খসরু বলেন, ইতিমধ্যে অনেক সমস্যার সমাধান হয়েছে। বাকি বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা অব্যাহত থাকবে। সংস্কারের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে আইএমএফের কোনো প্রশ্ন রয়েছে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশেরও কিছু পর্যবেক্ষণ রয়েছে। ব্যাংকিং খাত ও কর-জিডিপি অনুপাত নিয়ে আইএমএফের পর্যবেক্ষণের সঙ্গে তাঁরা একমত। এসব বিষয়ে ইতিমধ্যে অনেক শর্ত পূরণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, শুধু আইএমএফ নয়, বিশ্বব্যাংকসহ অন্যান্য বহুপাক্ষিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার সঙ্গেও অংশীদারত্বের ভিত্তিতে কাজ করবে বাংলাদেশ। দেশের অর্থনীতিকে ভবিষ্যতে এগিয়ে নিতে এসব সংস্থার সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত থাকবে।

তবে নতুন ঋণ কর্মসূচির আওতায় মোট কত অর্থ পাওয়া যেতে পারে, কী কী শর্ত চূড়ান্ত হবে এবং কর্মসূচিটি কবে অনুমোদিত হতে পারে—এসব বিষয়ে বৈঠক শেষে নির্দিষ্ট তথ্য জানাননি অর্থমন্ত্রী।