মোটরসাইকেলের তেলের খরচ কমাবেন যেভাবে
জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় মোটরসাইকেলের চালকদের তেল কিনতে এখন রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে। তবে কিছু বিষয় মেনে চললে কম তেল খরচ করে মোটরসাইকেল চালানো যায়। ফলে খরচ কমবে।
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত জেনুইন স্পেয়ার পার্টস অ্যান্ড সার্ভিসের পরিচালন প্রধান মো. সাইফুল ইসলাম জানান, অনেকেই জানেন না কীভাবে মোটরসাইকেলের জ্বালানি খরচ কমানো যায়। একটু সচেতন হলেই মোটরসাইকেলে জ্বালানি খরচ কমানো সম্ভব। নিচের বিষয়গুলো মেনে চললে মোটরসাইকেলে জ্বালানি সাশ্রয় করা যাবে।
আরও পড়ুন: কিশোরদের এআই চ্যাটে নজরদারির নতুন ফিচার আনছে মেটা, গোপনীয়তা নিয়ে বিতর্ক
স্মার্ট রাইডিং টেকনিক ব্যবহার করুন
মোটরসাইকেলচালানোর সময় হঠাৎ ব্রেক ও দ্রুত এক্সিলারেশন তেলের খরচ বাড়িয়ে দেয়। তাই ধীরে ধীরে গতি বাড়ান। অপ্রয়োজনীয় ব্রেক এড়িয়ে চলুন। নির্দিষ্ট গতিতে (৪০-৬০ কিমি/ঘণ্টা) চালানোর চেষ্টা করুন।
আরও পড়ুন: দীর্ঘক্ষণ চার্জে রাখলে ক্ষতি, স্মার্টফোন ব্যাটারি ভালো রাখতে জানুন করণীয়
এছাড়া, আধুনিক অনেক মোটরসাইকেলে এখন ইকো ইন্ডিকেটর থাকে, যা আপনাকে জ্বালানি সাশ্রয়ী গতিতে চালাতে সাহায্য করে।
নিয়মিত সার্ভিসিং ও মেইনটেন্যান্স
মোটরসাইকেলেরইঞ্জিন ঠিকভাবে কাজ না করলে তেলের খরচ বেড়ে যায়। তাইসময়মতো ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করুন। এয়ার ফিল্টার পরিষ্কার রাখুন। স্পার্ক প্লাগ পরীক্ষা করুন ভালোভাবে টিউন করা ইঞ্জিন কম জ্বালানি খরচে বেশি পারফরম্যান্স দেয়।
টায়ারের সঠিক চাপ বজায় রাখুন
টায়ারে কম বা বেশি চাপ থাকলে মোটরসাইকেলের ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং তেলের খরচ বেড়ে যায়। সপ্তাহে অন্তত একবার টায়ারের চাপ চেক করুন।নির্মাতার নির্দেশনা অনুযায়ী চাপ বজায় রাখুন।
অপ্রয়োজনীয় ইঞ্জিন চালু রাখা বন্ধ করুন
ট্রাফিকে দাঁড়িয়ে থাকলে অনেকেই ইঞ্জিন বন্ধ করেন না, যা অতিরিক্ত জ্বালানি খরচ করে। এক্ষেত্রে ৩০ সেকেন্ডের বেশি থামলে ইঞ্জিন বন্ধ রাখুন, এতে তেল সাশ্রয়ের পাশাপাশি পরিবেশ দূষণও কমে।
অতিরিক্ত ওজন বহন এড়িয়ে চলুন
মোটরসাইকেলযত বেশি ভারী হবে, তত বেশি জ্বালানি খরচ হবে। তাই অপ্রয়োজনীয় জিনিস বহন করবেন না।
মানসম্মত জ্বালানি ব্যবহার করুন
নিম্নমানের জ্বালানি ইঞ্জিনের ক্ষতি করে এবং খরচ বাড়ায়। তাইবিশ্বস্ত পাম্প থেকে তেল নিন। প্রয়োজনে অকটেন বা উন্নত জ্বালানি ব্যবহার করতে পারেন।





