বাংলাদেশে স্টারলিংক সেবা চালু, উচ্ছ্বাস ইলন মাস্কের

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৪:০৯ অপরাহ্ন, ০৮ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ৫:৩৩ অপরাহ্ন, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বাংলাদেশে স্টারলিংকের স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল সেবা চালু হওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) স্পেসএক্সের বাণিজ্যিক বিক্রয় বিভাগের নির্বাহী স্টেফানি বেডনারেকের একটি পোস্ট পুনঃপ্রকাশ করে মাস্ক লেখেন, ‘Starlink connecting Bangladesh!’

স্টেফানি বেডনারেক জানান, স্টারলিংক মোবাইলের মাধ্যমে বাংলাদেশের লাখো মানুষ অতিরিক্ত সংযোগ সুবিধা পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। বিশেষ করে যেখানে প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্কের কাভারেজ নেই, সেসব এলাকায় যোগাযোগের নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

আরও পড়ুন: এআই, সেমিকন্ডাক্টর ও রোবটিক্সে গবেষণায় তরুণদের সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: জহির উদ্দিন স্বপন

বেডনারেকের ভাষ্য অনুযায়ী, সেলুলার নেটওয়ার্কের বাইরে থাকা এলাকাগুলোতে স্টারলিংকের প্রযুক্তি অতিরিক্ত সংযোগ সুবিধা দেবে। এর ফলে উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দা, প্রত্যন্ত অঞ্চলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, পরিবার ও ভ্রমণকারীরা প্রচলিত নেটওয়ার্কের বাইরে থাকলেও যোগাযোগ ধরে রাখতে পারবেন।

স্টারলিংক জানিয়েছে, মোবাইল অপারেটর বাংলালিংকের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশে এই স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল সেবা চালু হয়েছে। এই সেবার মাধ্যমে সেলুলার নেটওয়ার্কের আওতার বাইরে থাকা ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন অ্যাপে বার্তা পাঠানো, অবস্থান শেয়ার করা এবং প্রয়োজনীয় যোগাযোগের সুবিধা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

আরও পড়ুন: চ্যাটজিপিটিকে ছাড়িয়ে মেটার নতুন এআই অ্যাপ

সেবাটি বিশেষভাবে কাজে আসতে পারে জরুরি পরিস্থিতি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময়। এসব পরিস্থিতিতে প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যাহত হলে যোগাযোগ ধরে রাখার বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে স্যাটেলাইট সংযোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

জেলে, সমুদ্রে কর্মরত ব্যক্তি, ভ্রমণকারী এবং প্রত্যন্ত ও উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের জন্যও এই সেবা উপকারী হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। সম্প্রতি বাংলালিংক স্টারলিংকচালিত এই সেবা চালু করেছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, দক্ষিণ এশিয়ায় এ ধরনের সেবা চালুর ক্ষেত্রে এটি প্রথম উদ্যোগ। বাংলাদেশের একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলের গভীর সমুদ্র এলাকাতেও সেবাটি কাজে লাগার সম্ভাবনা রয়েছে।

সামঞ্জস্যপূর্ণ ৪জি ফোন এবং বাংলালিংকের সিম থাকলে প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতার বাইরে থেকেও ব্যবহারকারীরা নির্দিষ্ট অ্যাপ ও লোকেশনভিত্তিক সেবা ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। ফলে দেশের দুর্গম ও নেটওয়ার্ক-বিচ্ছিন্ন এলাকাগুলোতে জরুরি যোগাযোগের ক্ষেত্রে স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল প্রযুক্তি নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।