সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রের্কড ১০ ডিগ্রি

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১:১৮ অপরাহ্ন, ১০ জানুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ১:১৮ অপরাহ্ন, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

গত কয়েক দিন ধরে তীব্র শীত ও হিমশীতল বাতাসে কুড়িগ্রামে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে নিম্ন ও দরিদ্র আয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। রাত থেকে সকাল পর্যন্ত কনকনে ঠান্ডায় মানুষের কাঁপুনি বাড়ছে, ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।

রাজারহাট আবহাওয়া ও কৃষি পর্যবেক্ষণাগারের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় কুড়িগ্রামে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৯ শতাংশ, যা শীতের অনুভূতি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

আরও পড়ুন: তীব্র গরমে বড় ঝুঁকিতে বাংলাদেশ, উৎপাদনশীলতা কমছে: বিশ্বব্যাংক

শীতের কারণে কর্মজীবী মানুষের আয় মারাত্মকভাবে কমে গেছে। রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের বাসিন্দা আশিক মিয়া বলেন, সকালে শীতের তীব্রতায় রিকশা নিয়ে বের হতে পারেননি তিনি। আয় কমে যাওয়ায় সংসার চালাতে চরম কষ্ট হচ্ছে বলে জানান তিনি।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের আছিয়া বেগম বলেন, ঠান্ডার কারণে কাজ করা যাচ্ছে না, ছোট বাচ্চাদের নিয়ে বাইরে বের হওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে। একই উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের বাবু মিয়া জানান, শীতের কারণে কয়েক দিন ধরে নদী ও বিলে মাছ ধরতে পারছেন না, এতে সংসার চালানো দুরূহ হয়ে উঠেছে।

আরও পড়ুন: ঢাকাসহ ৯ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির আভাস

এদিকে শীতের প্রকোপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জেলায় শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। কুড়িগ্রামের সিভিল সার্জন স্বপন কুমার বিশ্বাস জানান, জেলার নয়টি উপজেলায় শীতজনিত রোগে আক্রান্তদের যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও শীতার্ত মানুষের সহায়তায় কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কুড়িগ্রাম জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল মতিন জানান, জেলার নয়টি উপজেলায় ইতোমধ্যে ২৫ হাজার শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।