বাংলাদেশকে সত্যিকার অর্থে উৎপাদনশীল করতে হলে দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে: ড. মঈন খান

Sanchoy Biswas
আশিকুর রহমান, নরসিংদী
প্রকাশিত: ১১:৩২ অপরাহ্ন, ১২ অক্টোবর ২০২৫ | আপডেট: ৪:১৭ পূর্বাহ্ন, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, বাংলাদেশকে সত্যিকার অর্থে উৎপাদনশীল করতে হলে দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে। দুর্নীতি বন্ধ না হলে বাংলাদেশের উন্নতি সম্ভব নয়। বিগত সময়ে আওয়ামী সরকার লুটপাট ও দুর্নীতির মাধ্যমে সার কারখানা ধ্বংস করে দিয়েছে। তারা এতটাই লুটপাট ও দুর্নীতিগ্রস্ত ছিল যে নরসিংদীতে দুটি সচল সার কারখানা ভেঙে একটি করেছে। যেটি তৈরি করতে তারা হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করেছে। দুর্নীতির কারণেই তারা নতুন সার কারখানা তৈরির প্রকল্প এনে চালু থাকা দুটি সার কারখানা ভেঙে ফেলেছে।

রবিবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে নরসিংদীর পলাশে ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের আয়োজনে শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: ক্ষমতা বদলালেও বদলায়নি সিটিজেন চার্টার: নেই কার্যকর মোবাইল-ইমেইল

এ সময় তিনি আরও বলেন, ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্প উদ্বোধনের সময় মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। তারা কারখানাটি উৎপাদনে না এনে অন্য সার কারখানা থেকে সার এনে কারখানার উৎপাদন চালুর উদ্বোধন দেখিয়েছে।

তিনি বলেন, যে বৈষম্যের জন্য হাজার হাজার ছাত্রজনতা জীবন দিয়েছিল সেই বৈষম্য দূর করতে হবে। আগামীতে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি সরকারে ক্ষমতায় আসতে পারলে বৈষম্য দূর করে দেশের মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা হবে।

আরও পড়ুন: আশুলিয়া এসিল্যান্ড অফিসে নিরাপত্তা প্রহরীর নিয়ন্ত্রণে দাপ্তরিক কাজ

ঘোড়াশাল-পলাশ আঞ্চলিক শ্রমিক দলের সভাপতি আল-আমিন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন পলাশ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সাত্তার, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, যুগ্ম সম্পাদক বাহাউদ্দিন ভূঁইয়া মিল্টন, ঘোড়াশাল পৌর বিএনপির সভাপতি আলম মোল্লা, নরসিংদী বাস-ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি সারোয়ার মৃধা, পলাশ উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নাজমুল হোসেন সোহেল, সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান পাপন, ঘোড়াশাল শহর ছাত্রদলের আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান, সদস্য সচিব আরিফুল ইসলাম আরিফ এবং ঘোড়াশাল বিদ্যুৎ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলামসহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।