সাপ্তাহিক ছুটি ও মনোরম আবহাওয়ায় জমজমাট আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা
সাপ্তাহিক ছুটি ও মনোরম আবহাওয়ার সুযোগে দর্শনার্থীদের ভিড়ে সরগরম হয়ে উঠেছে ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা সকাল থেকেই মেলা প্রাঙ্গণে ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের আনাগোনায় তৈরি হয়েছে উৎসবের আবহ। রাজধানীর পূর্বাচলে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিড় আরও ঘন হয়ে ওঠে।
মেলার প্রধান ফটকে দেখা যায়, পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে আসা দর্শনার্থীরা টিকিট কেটে সারিবদ্ধভাবে ভেতরে প্রবেশ করছেন। পর্যাপ্ত টিকিট বুথ ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার কারণে প্রবেশপথে তেমন ভোগান্তি দেখা যায়নি। অল্প সময়েই দর্শনার্থীরা মেলায় ঢুকে পড়ছেন।
আরও পড়ুন: জৈন্তাপুরে হাওর থেকে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
মেলার ভেতরে ঢুকলেই চোখে পড়ে পোশাক, প্রসাধনী, ক্রোকারিজ ও গৃহস্থালি পণ্যের স্টলগুলোতে ক্রেতাদের ভিড়। নতুন পণ্যের সমাহার, আকর্ষণীয় ডিজাইন ও বিশেষ ছাড়ের কারণে ক্রেতারা বারবার থামছেন বিভিন্ন স্টলে। ক্রেতাদের চাপ সামলাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিক্রয়কর্মীরা।
বাণিজ্যমেলার ইজারাদার প্রতিষ্ঠান ডিজি কম-এর অপারেশন ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম হৃদয় জানান, দর্শনার্থীদের ভোগান্তি কমাতে এ বছর চারটি ক্যাশলেস কাউন্টার ও অগ্রিম ই-টিকিট ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। ফলে প্রবেশে সময় কম লাগছে এবং লাইনের চাপও তুলনামূলকভাবে কম।
আরও পড়ুন: আশুলিয়ায় ফের বিতর্কে এসআই আনোয়ার, ক্লোজড করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত
ইপিবি’র সচিব তরফদার সোহেল আহমেদ বলেন,
সাপ্তাহিক ছুটির কারণে দর্শনার্থীদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। সন্ধ্যার পর কনসার্টের আয়োজন থাকায় বিকালের পর থেকে ভিড় আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি মাসের মাঝামাঝি সময়ে বেতন পাওয়ায় বেচাকেনাও আগের দিনের তুলনায় বেশি হচ্ছে।
মেলায় পরিবার নিয়ে আসা রাজধানীর বাসিন্দা আলামিন মিয়া বলেন,ছুটির দিনে পরিবারের সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে বের হওয়ার জন্য বাণিজ্যমেলা ভালো একটি জায়গা। কেনাকাটা আর ঘোরাঘুরি একসঙ্গে করা যাচ্ছে।
কারুশিল্প প্যাভিলিয়নের এক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান,সকাল থেকেই ক্রেতার উপস্থিতি সন্তোষজনক। ছুটি ও বেতন পাওয়ায় বিক্রি বেশ ভালো হচ্ছে।
সব মিলিয়ে ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা এখন আনন্দ, কেনাকাটা ও বিনোদনের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা এবং ছুটির দিন রাত ১০টা পর্যন্ত মেলার গেট খোলা থাকে। বরাবরের মতো এবারও কুড়িল, খামারবাড়ি, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদী থেকে বিআরটিসি শাটল বাস চলাচল করছে। মেলা আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে।





