অভিযান চালিয়ে চিমনি ভেঙে দেওয়া হলো অবৈধ ইটভাটার, জরিমানা ১ লাখ

Sanchoy Biswas
মিরাজ পালোয়ান, শরীয়তপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৫:৪০ অপরাহ্ন, ২১ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ৯:৫২ অপরাহ্ন, ১৭ জুন ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

শরীয়তপুর সদর উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ঘোষিত একটি ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে চিমনি ভেঙে অকার্যকর করার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান মালিককে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে সদর উপজেলার শৌলপাড়া এলাকার মেসার্স হাওলাদার ব্রিকসে এ অভিযান চালায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তুষার সাহা। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রাসেল নোমান।

আরও পড়ুন: ১১ বছরের শিশু ধর্ষণ, ফার্মেসি ব্যবসায়ী আটক

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানায়, মেসার্স হাওলাদার ব্রিকস নামের ইটভাটাটির আইনি অনুমোদন না থাকায় ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ভাটাটি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপরও নির্দেশ অমান্য করে ভাটাটি অবৈধভাবে পরিচালিত হয়ে আসছিল। পরে মঙ্গলবার দুপুরে ভাটায় অভিযান পরিচালনা করে চিমনিটির একটি অংশ ভেঙে অকার্যকর ও এক লাখ টাকা জরিমানা আদায় করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে আগামীতেও এ অভিযান পরিচালনা রাখা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা।

জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রাসেল নোমান বলেন, আইন অনুযায়ী এই ইটভাটার অবস্থান অবৈধ। আমরা তিন বছর আগে ভাটাটির কার্যক্রম বন্ধে নোটিশ প্রদান করি। হাইকোর্টে একটি রিট রয়েছে অবৈধ ইটভাটা বন্ধে। সেই নির্দেশ অনুযায়ী শৌলপাড়া এলাকার হাওলাদার ব্রিকস নামের ইটভাটাটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি।

আরও পড়ুন: তাহিরপুরে ১৫ হাজার ঘনফুট অবৈধ বালু জব্দ, ২ হাজার মিটার নিষিদ্ধ মাছ ধরার জাল পুড়িয়ে ধ্বংস

এ বিষয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তুষার সাহা বলেন, আইনে বলা আছে কোনো ইটভাটার এক কিলোমিটার অংশে প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকলে ভাটাটি সরিয়ে নিতে হবে। কিন্তু হাওলাদার ব্রিকস নামের ইটভাটার আড়াইশো মিটারের মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকায় মালিককে একাধিকবার ভাটা সরিয়ে নেওয়ার কথা বললেও তারা ভাটাটি সরিয়ে নেয়নি। আমরা অভিযান চালিয়ে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী ১৮(২) ধারায় সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা জরিমানা করে আদায় করেছি। এছাড়াও ইটভাটা বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জেলার অন্যান্য অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে আমাদের এ অভিযান অব্যাহত রাখা হবে।