গাজীপুরে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ালেন ডা. বাচ্চু

Sadek Ali
বশির আহমেদ কাজল, গাজীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২:০০ অপরাহ্ন, ২৫ মে ২০২৬ | আপডেট: ৩:০১ অপরাহ্ন, ২৫ মে ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

 গাজীপুর সদর উপজেলার বানিয়ারচালা প্যান্টেক্স মোড় এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছেন গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডাঃ রফিকুল ইসলাম বাচ্চু। 

সোমবার (২৫ মে) সকাল ১১টার দিকে তিনি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ঘরের টিন, নগদ অর্থ ও শুকনো খাবার বিতরণ করেন।

আরও পড়ুন: বড়লেখায় জোড়া খুনের ৫ মাস: খুনিরা প্রকাশ্যে, ভিটেমাটি ছাড়া ভুক্তভোগী পরিবার

এ সময় এমপি বাচ্চু ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং তাদের দুর্ভোগের কথা শুনে দ্রুত পুনর্বাসনে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। যারা সর্বস্ব হারিয়েছেন, তাদের পুনরায় স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু তাহের মুসল্লী, সদস্য সচিব আবু বকর ছিদ্দিক, ইউনুস আলী নস মিয়া, রাসেদুল ইসলাম নয়ন, শরীফ আহমেদ, মাজহারুল ইসলাম, মামুন আকন্দসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

আরও পড়ুন: কালিহাতিতে ট্রাক উল্টে ১৫ জন নিহত

এর আগে রোববার (২৪ মে) বিকেলে বানিরচালা প্যান্টেক্স মোড় এলাকায় স্থানীয় হাফিজ উদ্দিনের ভাড়া দেওয়া একটি বাড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ১০টি কক্ষ পুড়ে যায় এবং ভাড়াটিয়া পরিবারগুলোর নগদ অর্থ, আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় মালামালসহ প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেল সাড়ে চারটার দিকে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়ে মুহূর্তেই পুরো ভবনে ছড়িয়ে পড়ে। অধিকাংশ ভাড়াটিয়া কর্মস্থলে থাকায় শুরুতে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয়। পরে স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা চালিয়ে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। খবর পেয়ে রাজেন্দ্রপুর মর্ডান ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ভাড়াটিয়ারা জানান, কর্মস্থলে থাকা অবস্থায় আগুন লাগার খবর পেয়ে বাসায় ফিরে দেখেন তাদের সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। অনেকেই এখন খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।