কুলাউড়ায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত সাবেক এমপি আব্দুল মতিন
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার সাবেক সংসদ সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল মতিনকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার (২ জুন) বেলা ১১টায় কুলাউড়া শহরের নবীন চন্দ্র সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে তার প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার আগে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আনিসুল ইসলামের নেতৃত্বে মরহুমকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
পরে বাদ জোহর জয়চণ্ডী ইউনিয়নের হজরত বিবিমাই (রহ.) মোকামে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে সেখানকার কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
আরও পড়ুন: বরগুনায় জেলা পরিষদ ডাকবাংলো থেকে মা ও দুই কন্যার মরদেহ উদ্ধার
এর আগে সোমবার (১ জুন) দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আব্দুল মতিন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর।
জানা যায়, ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থীর সমর্থনে নিজের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি দুইবার কুলাউড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, কার্যক্রম নিষিদ্ধ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এবং জয়চণ্ডী ইউনিয়ন পরিষদের পাঁচবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
আরও পড়ুন: শিক্ষা উন্নয়ন ও জিয়ার আদর্শ বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে: এমপি ডা. বাচ্চু
জানাজায় উপস্থিত ছিলেন কুলাউড়ার সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকু, উপজেলা বিএনপির সভাপতি জয়নাল আবেদীন বাচ্চু, সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল জলিল জামাল, সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সজল, সাবেক আহ্বায়ক রেদওয়ান খান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমদ চৌধুরী, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির জাকির হোসেন, শূরা সদস্য রাজানুর রহিম ইফতেখার, কার্যক্রম নিষিদ্ধ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসম কামরুল ইসলাম, বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল ইসলাম শামীম, মৌলভীবাজার জেলার সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার জামাল উদ্দিন, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. খুরশিদ উল্ল্যাহ, পৌর বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. এনামুল ইসলাম, কুলাউড়া সমিতি ঢাকার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন, উপজেলার সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সুশীল চন্দ্র দে, মরহুমের ছেলে আরাফাত মো. মুজিবসহ সর্বস্তরের মুসল্লিরা।





