উলিপুরে প্রতিবন্ধী ও অসহায়দের মাঝে এককালীন আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ

Sanchoy Biswas
উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৮:৪০ অপরাহ্ন, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ৬:৩৫ অপরাহ্ন, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

কুড়িগ্রামের উলিপুরে শিক্ষার্থী, দুস্থ, অসহায়, অসচ্ছল ও গৃহহীন মানুষের মাঝে এককালীন আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় উলিপুর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে এ চেক বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন: জয়পুরহাট সীমান্তে ৩ জনকে পুশ-ইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় পণ্ড

উপকার হবে বিশ জনের মাঝে জন প্রতি ১০ হাজার টাকার একটি করে চেক বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ.টি.এম. আরিফ।

আরও পড়ুন: শুদ্ধ জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে পুরস্কার পেল রাজশাহী সিটি করপোরেশন

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উলিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শওকত আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আত্বাব উদ্দিন, কুড়িগ্রাম জেলা কৃষকদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবু জাফর সোহেল রানা, রংপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সাবেক ছাত্রনেতা ও জিএস ফিরোজ কবির কাজলসহ উলিপুর উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।

আয়োজনে উলিপুর উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সদস্য সচিব স্বপন কুমার সাহা।

আয়োজক সূত্রে জানা যায়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের মাধ্যমে শিক্ষার্থীসহ সমাজের বিভিন্ন অসচ্ছল, দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য এককালীন আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে উলিপুর উপজেলার নির্বাচিত উপকারভোগীদের মাঝে এসব অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়।

চেক হাতে পেয়ে উপকারভোগীদের অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তারা এ ধরনের আর্থিক সহায়তার জন্য সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে অনুষ্ঠানে উপস্থিত রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সংশ্লিষ্টদের প্রতিও সন্তোষ প্রকাশ করেন তারা।

বক্তারা বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো রাষ্ট্র ও সমাজের দায়িত্ব। এ ধরনের আর্থিক সহায়তা অসচ্ছল পরিবারগুলোর সাময়িক আর্থিক সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতেও সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তারা।