আখচাষীদের জীবনমান উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর বৈশ্বিক পদক্ষেপ

Shahrier Islam Pallab
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৬:০১ অপরাহ্ন, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ৬:০২ অপরাহ্ন, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

দেশের ৩৮ হাজার ৯৫০ জন আখচাষির কাছে অর্থ ও প্রণোদনা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রান্তিক আখচাষিদের অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং দেশের চিনি শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)।

করপোরেশন সূত্রে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আখচাষিদের জন্য নেওয়া এ উদ্যোগের মাধ্যমে কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং নির্ধারিত সময়ে প্রণোদনার অর্থ সরাসরি তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এতে আখ চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়বে এবং দেশের চিনি উৎপাদনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করছে সংস্থাটি।

আরও পড়ুন: ‎লক্ষ্মীপুরে খোরশেদ বাহিনীর প্রধানকে গুলি করে হত্যা

এ উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার সকাল ১১টায় বিএসএফআইসির সদর দপ্তরের বোর্ডরুমে সংস্থাটির জিয়া পরিষদের উদ্যোগে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন করপোরেশনের চেয়ারম্যান (গ্রেড-২) মো. শামছুজ্জামান (সূর্য)।

অনুষ্ঠানে করপোরেশনের পরিচালক (ইক্ষু উন্নয়ন ও গবেষণা) ড. আদুল আলীম খান, পরিচালক (উৎপাদন ও প্রকৌশল) মোহাম্মদ সাঈদ-উর-রহমান, পরিচালক (অর্থ) তৌহিদিনা আক্তার, পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) সাইফুর রহমান খান, সচিব মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান, সিএফও শাহরিনা তানাজ এবং জিয়া পরিষদের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

আরও পড়ুন: উলিপুরে তহশিলদারের বিরুদ্ধে ১১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ: প্রশাসনের নীরবতায় এলাকাবাসীর ক্ষোভ

অনুষ্ঠানে বিএসএফআইসির চেয়ারম্যান বলেন, ৩৮ হাজার ৯৫০ জন আখচাষির কাছে সময়মতো প্রণোদনার অর্থ পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে কৃষকদের আস্থা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চিনি শিল্পকে লাভজনক ও আধুনিক খাত হিসেবে গড়ে তুলতে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, করপোরেশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী চিনিকলগুলোর মাড়াই সক্ষমতা বাড়ানো, আখ চাষ সম্প্রসারণ, আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তির ব্যবহার এবং আখচাষিদের সরাসরি সহায়তা দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সংস্থাটির দাবি, সময়মতো আখের মূল্য ও প্রণোদনা পেলে কৃষকেরা আখ চাষে আরও উৎসাহিত হবেন। এর ফলে চিনিকল-সংলগ্ন এলাকাগুলোতে আখ চাষ বাড়ার পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক চিনি উৎপাদন ও জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক অবদান রাখার সুযোগ তৈরি হবে।