মজুরি বোর্ড গঠন করায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে আশুলিয়ায় শ্রমিকদের আনন্দ র্যালি
গার্মেন্টস শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণের লক্ষ্যে মজুরি বোর্ড গঠন করায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানিয়ে আশুলিয়ায় আনন্দ র্যালি করেছেন শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
রোববার (১ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় আশুলিয়ার বাইপাইলের বগাবাড়ি থেকে জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ইউনিটির উদ্যোগে র্যালিটি বের করা হয়। পরে বাইপাইল-আব্দুল্লাহপুর সড়কের ইউনিক বাসস্ট্যান্ড প্রদক্ষিণ করে বগাবাড়িতে এসে র্যালিটি শেষ হয়।
আরও পড়ুন: শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়কের পাশে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবিতে মশাল মিছিল
র্যালিতে জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ইউনিটির সভাপতি ফরিদুল ইসলাম ফরিদ বলেন, শ্রমিকদের আন্দোলনের পরিস্থিতি তৈরি হওয়া দুঃখজনক। মজুরি বোর্ড গঠনের পর নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নতুন মজুরি নির্ধারণের সুযোগ তৈরি হয়েছে। তাই শ্রমিকদের এখন আন্দোলন না করে কাজে ফিরে যাওয়া উচিত। শ্রমিকদের অসচেতনতার সুযোগ নিয়ে তৃতীয় কোনো পক্ষ যেন পরিস্থিতির অপব্যবহার করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, মজুরি বোর্ডে মালিকপক্ষ, শ্রমিকপক্ষ ও সরকারপক্ষের প্রতিনিধিরা রয়েছেন। তিন পক্ষের আলোচনার মধ্য দিয়েই শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারিত হবে। তবে বোর্ড গঠনের সরকারি ঘোষণা আসার পরও বিভিন্ন কারখানায় কাজের ক্ষেত্রে ঢিলেঢালা পরিস্থিতি এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। শ্রমিকদের আবেগকে কাজে লাগিয়ে কোনো মহল যেন শিল্পের ক্ষতি করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
আরও পড়ুন: মানব পাচার ও প্রতারণার অভিযোগে দাদন ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন
ফরিদুল ইসলাম ফরিদ বলেন, দেশের প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে গার্মেন্টস শিল্প। এই শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হলে শ্রমিকদের কর্মসংস্থানও হুমকির মুখে পড়বে। এত বিপুলসংখ্যক শ্রমিকের বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ দেশে নেই। তাই নিজের কর্মস্থল ও কাজের মেশিনের ক্ষতি করা মানে নিজের কর্মসংস্থানকেই ঝুঁকির মুখে ফেলা।
তিনি শ্রমিকদের উদ্দেশে বলেন, মজুরি বোর্ড গঠন হয়েছে। এখন সবার উচিত ঘরে ফিরে নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগ দেওয়া এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে কাজে অংশ নেওয়া।
র্যালিতে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ টেক্সটাইল গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের আশুলিয়া থানা সভাপতি মনসুর আলী, শ্রমিক নেতা মাসুদ সুলতান, সোহাগসহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।





