কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাকিব হত্যা: অস্ত্রসহ ৫ জন গ্রেফতার

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৫:৫৪ অপরাহ্ন, ১৯ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ৫:৫৪ অপরাহ্ন, ১৯ মার্চ ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাকিবুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ঘটনায় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র ও গুলিসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে শাহবাগ থানা পুলিশ ও কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— মো. গোলাম রসুল শিহাব (২১), মো. রাফিন শেখ (২০), শাহারিয়ার নাজিম জয় (২০), মো. সাগর ফকির (২৬) এবং মো. সালাউদ্দিন সাগর ওরফে সাকা (৩৮)।

আরও পড়ুন: ঢাকায় ১৭৭১টি ঈদ জামাত, নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা নেই: ডিএমপি কমিশনার

পুলিশ জানায়, গত রোববার (১৫ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টার দিকে শাহবাগ থানাধীন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পশ্চিম পাশে রাকিবুল ইসলাম মোটরসাইকেল পার্ক করার সময় ৫-৬ জন যুবক তার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা পেছন থেকে পিস্তল দিয়ে একাধিক গুলি করে। পরে রাকিবুল মাটিতে লুটিয়ে পড়লে দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে তারা পালিয়ে যায়।

গুরুতর আহত অবস্থায় পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় শাহবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

আরও পড়ুন: এসবি প্রধানসহ পুলিশের উচ্চ পর্যায়ে ব্যাপক রদবদল

ঘটনার পরপরই একই রাতে জনতার সহায়তায় মো. গোলাম রসুল শিহাবকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরদিন (১৬ মার্চ) খুলনার লবনচরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. রাফিন শেখ ও শাহারিয়ার নাজিম জয়কে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে (১৭ মার্চ) পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ এলাকা থেকে মো. সাগর ফকিরকে আটক করা হয়।

অন্যদিকে, সিটিটিসির একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার (১৮ মার্চ) রাত ৩টার দিকে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী এলাকা থেকে মো. সালাউদ্দিন সাগর ওরফে সাকাকে গ্রেফতার করে। এ সময় তার কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি পিস্তল ও চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের তথ্যমতে, সালাউদ্দিন সাগর ওরফে সাকা খুলনা অঞ্চলের শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ভাড়াটে খুনিদের নেতৃত্বদানকারী হিসেবে পরিচিত। তার নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ চক্র বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।