প্রবেশপত্র আটকে দেয়ায় এসএসসি পরীক্ষা দিতে পারেনি রায়হান
ঢাকার ধামরাইয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধান প্রবেশপত্র আটকে রাখায় এসএসসি পরীক্ষার বাংলা ও ইংরেজিসহ তিনটি বিষয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেনি এক শিক্ষার্থী। এ নিয়ে এলাকায় বেশ উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ঘটনাটি ঘটেছে ধামরাই উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের কৈলাস চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী মো: রায়হান হোসেনের সঙ্গে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে একটি অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা নাজমা বেগম।
আরও পড়ুন: বন্যহাতির লোকালয়ে হানা, ফসল বাঁচাতে নির্ঘুম কৃষক
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পাওনা পরিশোধ করা সত্ত্বেও ভুক্তভোগী ছাত্রের প্রবেশপত্র আটকে রাখে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী রায়হান জানায়, পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগে যখন সব বন্ধুরা প্রবেশপত্র নিচ্ছিল, তখন সে-ও যায় স্কুলে। কিন্তু স্কুল থেকে তাকে জানিয়ে দেওয়া হয় তার প্রবেশপত্র আসেনি। দুইটি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর রায়হানের বন্ধু জানায় তার আসনটি প্রতিদিন ফাকা থাকে। পরে রায়হান বিদ্যালয়ে গিয়ে জানতে পারে তার প্রবেশপত্র বিদ্যালয়ে আছে।
আরও পড়ুন: নেত্রকোণায় কথা কাটাকাটির জেরে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, আটক ৩
রায়হানের বন্ধু পারভেজ জানায়, প্রথম পরীক্ষা দিতে গিয়ে দেখে তার সামনের আসনটি ফাকা। তার সন্দেহ হয় কিন্তু নিজের পরীক্ষার চাপে সেদিন খোঁজ নিতে পারেনি। পরের পরীক্ষায় সে খোঁজ নিয়ে জানতে পারে ওই আসনটি রায়হানের।
রায়হানের বাবা বলেন, আমার ছেলে যাতে সব পরীক্ষা দিতে পারে সেই সুযোগ দেওয়া হোক।
এ বিষয়ে কৈলাশ চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফরহাদ হোসেনের সঙ্গে কথা বলতে গেলে দেখা যায় তার কক্ষে ঝুলছে তালা। একাধিকবার ফোন দেওয়ার পর তিনি ব্যস্ত আছেন বলে কেটে দেন।
বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক রনজিৎ চন্দ্র সরকার বলেন, রায়হানের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনা কোনোভাবে কাম্য নয়। বিদ্যালয়ের নথিপত্র ও গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেন প্রধান শিক্ষক ও আলী আমজাদ। অন্য শিক্ষকরা পড়াশুনার দায়িত্ব পালন করেন। রায়হানের বিষয়টি একমাত্র প্রধান শিক্ষকই বলতে পারবেন।
এ বিষয়ে ধামরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো: আল মামুন বলেন, ছাত্রের মায়ের অভিযোগ পেয়েছি। অভিযুক্ত শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।





