বিচারককে কারাদণ্ড: বিচারকদের সমাবেশে আইনমন্ত্রীর আশ্বাস

SM Shamim
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১০:৩৭ অপরাহ্ন, ১৩ অক্টোবর ২০২৩ | আপডেট: ৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, ১৪ অক্টোবর ২০২৩
ছবি : ইন্টারনেট
ছবি : ইন্টারনেট

কুমিল্লার সাবেক চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল রানাকে হাইকোর্ট এক মাসের কারাদণ্ড দেয়ায় ক্ষুব্ধ জুডিশিয়াল সার্ভিস এসোসিয়েশনের জরুরী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) রাতে বিচার প্রশাসন ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের এই বৈঠকে শতাধিক বিচারক অংশ নেন। বৈঠকে ক্ষুদ্ধ বিচারকরা হাইকোর্টের বিরুদ্ধে বিভিন্ন বক্তব্য দেন। রাত নটায় হঠাৎ সমাবেশে হাজির হন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও আইন সচিবসহ উধ্বর্তন কর্মকর্তাগণ। এ সময় জুডিশিয়াল সার্ভিসের  কর্মকর্তারা বিভিন্ন দাবি উপস্থাপন করেন।

আরও পড়ুন: চাঁদাবাজদের হুঁশিয়ারি আইজিপির

বিচারকদের প্রটেকশন আইন বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করে ভবিষ্যতে উচ্চ আদালত বা এই ক্ষেত্রে অন্যান্য বিষয় সামনে রেখে আলোচনা করা হয়। বৈঠকে আইনমন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে প্রধান বিচারপতির সাথে আলোচনা করে বিচারকদের দাবির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে মেনে নেয়ার আশ্বাস দেন। আইন মন্ত্রীর আশ্বাসে বিচারকরা কোন কর্মসূচি না দিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ মুলতবী করেন।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, হাইকোর্টের এই রায়ে সংক্ষুব্ধ ও মর্মাহত হন অধস্তন আদালতের বিচারকরা। বৈঠকে উপস্থিত বিচারকরা আইনমন্ত্রীকে বলেন, সুপ্রিমকোর্ট আমাদের অভিভাবক। আমরা বিচার বিভাগের সদস্য। সংবিধান ও আইনের আলোকে বিচার কাজ করাই আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। এই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেক সময় আমাদের ভুলভ্রান্তি হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে অভিভাবক হিসেবে সুপ্রিমকোর্ট আমাদের ভুলভ্রান্তিগুলো নমনীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিবেচনা করে সংশোধনের সুযোগ দেবেন সেটাই প্রত্যাশা করি। যাতে করে ভবিষ্যতে দায়িত্ব পালনে আমরা সচেষ্ট হতে পারি। 

আরও পড়ুন: রমজানে প্রতিদিন ৫ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে সিএনজি স্টেশন

বৈঠকে আইন সচিব মো. গোলাম সারওয়ার, অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ এএইচএম হাবিবুর রহমান, মহাসচিব ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমানসহ বিচারকরা উপস্থিত ছিলেন।

জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক শুক্রবার বলেন, কুমিল্লার সাবেক চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সোহেল রানার সাজা নিয়ে অনুষ্ঠিত অধস্তন আদালতের বিচারকদের বৈঠকে আমি ছিলাম। আমি তাদের কথা শুনেছি, দায়িত্ব নিয়েছি। আশ্বাস দিয়ে কাজে যোগ দিতে বলেছি। তারা আমার কথায় সন্তুষ্ট হয়েছেন।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি আদালত অবমাননার মামলায় অধস্তন আদালতের বিচারক সোহেল রানাকে এক মাসের জেল ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন হাইকোর্ট।