রাজধানীতে জননিরাপত্তা জোরদারে বসানো হচ্ছে আরও ১১ হাজার সিসি ক্যামেরা

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৭:৫৬ অপরাহ্ন, ০৮ মে ২০২৬ | আপডেট: ৯:২৭ অপরাহ্ন, ০৮ মে ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

রাজধানীতে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং কিশোর গ্যাং, সন্ত্রাস ও ছিনতাই প্রতিরোধে নজরদারি ব্যবস্থা আরও জোরদার করছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এর অংশ হিসেবে মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নতুন করে ১১ হাজার সিসি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন: ঢাকা মহানগরে নতুন ৪টি থানা স্থাপনের পরিকল্পনা

তিনি জানান, বিশেষ করে অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। মোহাম্মদপুর এলাকায় ইতোমধ্যে কিশোর গ্যাং ও ছিনতাই প্রতিরোধে ৭০০টি সিসি ক্যামেরা স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে ওই এলাকায় পুলিশের জনবল বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং বসিলায় একটি নতুন পুলিশ ফাঁড়ি উদ্বোধন করা হয়েছে। আরও একটি ফাঁড়ি স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

তিনি আরও জানান, রাজধানীর ৫০টি থানায় অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি), সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) এবং পেট্রোল ইন্সপেক্টর মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে মাঠ পর্যায়ের নজরদারি আরও কার্যকর হয়।

আরও পড়ুন: রাজধানীর ফোম কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ৫ ইউনিট

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন জানান, বর্তমানে রাজধানীতে মোট ১ হাজার ৯১০টি সিসি ক্যামেরা কার্যকর রয়েছে। এর মধ্যে ডিএমপির নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ৭১০টি এবং ‘ল অ্যান্ড অর্ডার কো-অর্ডিনেশন কমিটি’র আওতায় গুলশান, বনানীসহ বিভিন্ন এলাকায় ১ হাজার ২০০টি ক্যামেরা পরিচালিত হচ্ছে।

তিনি জানান, নতুন প্রকল্পের আওতায় ১১ হাজার সিসি ক্যামেরা কেনার টেন্ডার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে চুরি, ছিনতাই ও অন্যান্য অপরাধ দ্রুত শনাক্ত করা সহজ হচ্ছে। কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণের ফলে তাৎক্ষণিকভাবে রেসপন্স টিম পাঠানো সম্ভব হচ্ছে।

এছাড়া জাতীয় দিবস ও বড় আয়োজনে অস্থায়ী ক্যামেরার মাধ্যমে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে।

ডিএমপি আরও জানায়, অপরাধ দমনে ব্লক রেইড, নিয়মিত টহল ও সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধ নিয়ন্ত্রণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে এই প্রযুক্তি রাজধানীর যানজট ব্যবস্থাপনায়ও সহায়ক ভূমিকা রাখছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।