পাবনায় ট্রিপল মার্ডারের রায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড

Sanchoy Biswas
গোলাম ফারুক, পাবনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৮:২৬ অপরাহ্ন, ২৫ অগাস্ট ২০২৫ | আপডেট: ১১:৪৭ অপরাহ্ন, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

পাবনায় আলোচিত অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা আব্দুল জব্বার ও তার স্ত্রী ছুম্মা খাতুন এবং পালিত কন্যা সানজিদা ওরফে জয়া হত্যা মামলার রায়ে সন্তানের মত স্নেহতুল্য ও পাবনা ফায়ার সার্ভিস মসজিদের পেশা ইমাম তানভীর হোসেনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং চুরির অপরাধে পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদেশ দেওয়া হয়।

সোমবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে পাবনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৩য় আদালতের বিচারক মোঃ তানভীর আহমেদ সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে এই রায় ঘোষণা করেন। গত ২০২০ সালের ৩১ মে এই ট্রিপল মার্ডারের ঘটনা ঘটে। দণ্ডপ্রাপ্ত তানভীর নওগাঁ জেলার হরিপুর পূর্বপাড়া গ্রামের হাতেম আলী সরদারের ছেলে।

আরও পড়ুন: শ্যামলীতে সিকেডি হাসপাতালে চাঁদাবাজি: মূলহোতা মঈনসহ ৭ জন গ্রেপ্তার

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটার (পিপি) এডভোকেট গোলাম সরোয়ার খান জুয়েল এই রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা আব্দুল জব্বার ও তার স্ত্রী ছুম্মা খাতুন এবং পালিত কন্যা সানজিদা ওরফে জয়া শহরে দিলালপুর এলাকায় একটি বাসা ভাড়া করে থাকতেন। সেখানে তাদের সঙ্গে পরিচয় হয় তানভীর হোসেনের। সে পাশেই চাউলের ব্যবসা করতেন। এক পর্যায়ে আব্দুল জব্বারের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তানভীরের ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তানভীরকে তারা সন্তানের মত স্নেহ করতে থাকেন এবং ব্যাংক লেনদেনসহ পরিবারের নানা কাজে তানভীর তাদের সহযোগিতা করতেন।

আরও পড়ুন: চাঁদা না পেয়ে ঠিকাদারকে মারধরে কেটে ফেলতে হয়েছে একটি পা, বিচার দাবি

এরই মধ্যে গত ২০২০ সালের ৩১ মে গভীর রাতে টাকা-পয়সা ও স্বর্ণালংকার লুটের উদ্দেশ্যেই তানভীর তার পালক বাবা, মা ও বোনকে ধারালো অস্ত্রের সাহায্যে নৃশংসভাবে হত্যা করে। পরে টাকা ও স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে পালিয়ে যায়। তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে পুলিশ নওগাঁ থেকে তানভীরকে আটক করে।