ডিজিএফআইয়ের মাঞ্জিল এবার হত্যা মামলায় গ্রেফতার, ৪ দিনের রিমান্ডে

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১০:১২ অপরাহ্ন, ০৩ মে ২০২৬ | আপডেট: ১০:১২ অপরাহ্ন, ০৩ মে ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক কর্মকর্তা মাঞ্জিল হায়দার চৌধুরীকে এবার জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার আদাবরে পোশাক শ্রমিক রুবেল হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে চার দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।

রবিবার (৩ মে) ঢাকার পৃথক দুই মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গ্রেফতার ও রিমান্ডের আদেশ দেওয়া হয়। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মিজানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন: ডিবির সোর্স জালাল হত্যা: দুই পুলিশসহ ৩ আসামির যাবজ্জীবন

মাঞ্জিল হায়দারকে গত ৯ এপ্রিল মহাখালীর ডিওএইচএস এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ নিহতের ঘটনায় নিউ মার্কেট থানার মামলায় তিন দফায় ১২ দিনের রিমান্ড নেয়া হয়। ২২ এপ্রিল রমনা মডেল থানার সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় তাকে পাঁচ দিন এবং ২৬ এপ্রিল চার দিন এবং ৩০ এপ্রিল তিন দিনের রিমান্ড দেন আদালত।

তিন দফায় ১২ দিনের রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা রমনা জোনাল টিমের পরিদর্শক মো. আমজাদ হোসেন তালুকদার। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আরও পড়ুন: পাঁচ লাখ টাকার কন্ট্রাক্টে প্রাথমিক শিক্ষার গোডাউনে আগুন, আটক ৩

এরপর রুবেল হত্যা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানোসহ সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন ডিবি পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ টিপু সুলতান।

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলমের আদালতে প্রথমে গ্রেফতার দেখানো বিষয়ে শুনানি হয়। শুনানি শেষে আদালত তাকে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দেন।

এরপর আরেক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াসের আদালতে রিমান্ড বিষয়ে শুনানি হয়। মাঞ্জিল হায়দারের পক্ষে তার আইনজীবী কামাল হোসেন রিমান্ড বাতিল করে জামিন প্রার্থনা করেন। রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধীতা করে। শুনানি নিয়ে আদালত তার চার দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।

মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, জুলাই আন্দোলনের শেষ দিন অর্থাৎ ৫ আগস্ট রুবেলসহ কয়েকশ ছাত্র-জনতা বেলা ১১টার দিকে আদাবরের রিংরোড এলাকায় প্রতিবাদী মিছিল বের করে। এসময় পুলিশ, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ, তাঁতী লীগ, কৃষক লীগ, মৎসজীবী লীগের নেতা-কর্মীরা গুলি চালান। এতে রুবেল গুলিবিদ্ধ হয়। তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় গত বছরের ২২ আগস্ট আদাবর থানায় মামলা করেন রুবেলের বাবা রফিকুল ইসলাম।