ইউরোপের বাজারে পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৪৫ শতাংশ
বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশি পোশাক রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ৪৫ শতাংশ। প্রবৃদ্ধির দিক থেকেও এ বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান শীর্ষে। সারাবিশ্ব থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) পোশাক রপ্তানি বেড়ছে ২৪ শতাংশ। ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত সময়কালের ব্যবধানে এই প্রবৃদ্ধি হয়েছে। ইউরোপীয় পরিসংখ্যান সংস্থা ইউরোস্ট্যাটের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্য থেকে দেখা যাচ্ছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নে পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ২৪ দশমিক ৩৭ শতাংশ। চীন থেকে রপ্তানি বেড়েছে ২০ দশমিক ৬৭ শতাংশ, বাংলাদেশ থেকে ৪৪ দশমিক ৯৫ শতাংশ, তুর্কি থেকে ২০ দশমিক ৭০ শতাংশ ও ভিয়েতনাম থেকে ২২ শতাংশ। বাংলাদেশ ছাড়া আর কোনো দেশ থেকে ইউরোপের বাজারে ৪০ শতাংশের বেশি রপ্তানি বাড়েনি।
আরও পড়ুন: বাজেট ইতিবাচক; ধীরে হলেও চলতি অর্থবছরে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে: এডিবি’র পূর্বাভাস
থেকে মে পর্যন্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নে ৪৪ দশমিক ৯৫ শতাংশ পোশাক রপ্তানি বেড়েছে। ২০২০ সালের তুলনায় ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে মে মাসে পোশাক রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ৫৮ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং ২০১৯ সালের তুলনায় প্রবৃদ্ধি ২৭ শতাংশ।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, উল্লিখিত সময়ে বাংলাদেশ থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের আমদানির পরিমাণ ৪৪ দশমিক ৯৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৯ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এ সময়ে তাদের বৈশ্বিক পোশাক আমদানি ২৪ দশমিক ৩৭ শতাংশ বেড়েছে।
আরও পড়ুন: বিশ্ববাজারে তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি, তবে বাড়তি চাপ সীমিত
তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সহ-সভাপতি শহীদুল্লাহ আজিম বলেন, এ প্রবৃদ্ধি আগের অর্ডারের। আমাদের রপ্তানি প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলারে উঠেছিল। এখন সেটি নিচের দিকে নামছে। এই মাসে রপ্তানি আয় হতে পারে প্রায় ৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার।
বিজিএমইএর পরিচালক ও মুখপাত্র মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, সম্প্রতি ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে খুচরা বিক্রেতারা ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি বিশ্ব বাজারের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে সংগ্রাম করছে। অনেক ইউরোপীয় ব্র্যান্ডের খুচরা বিক্রি কমেছে, যা তাদের ইনভেন্টরি স্টক বাড়িয়েছে। এই সমস্ত কারণ বিবেচনা করে আগামী মাসগুলোয় ইইউ বাজারে আমাদের রপ্তানি কমতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন তিনি।





