গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা ও গাজা উপত্যকার জনগণের প্রতি ডাকসুর অটল সংহতি

Any Akter
ঢাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৪:৪৮ অপরাহ্ন, ০১ অক্টোবর ২০২৫ | আপডেট: ৬:২৮ পূর্বাহ্ন, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) গাজার ওপর আরোপিত অবৈধ নৌ অবরোধ ভাঙতে এবং মানবিক ত্রাণ পৌঁছে দিতে যাত্রা করা ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’র প্রতি দৃঢ় সংহতি প্রকাশ করেছে। বুধবার (১ অক্টোবর) ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক এস এম ফারহাদ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ সংহতির কথা জানানো হয়।

আরও পড়ুন: হাদীর স্মরণে ঢাবিতে শুরু হচ্ছে ‘শহীদ ওসমান হাদি স্মৃতি বইমেলা ২০২৬’

বিবৃতিতে বলা হয়, “গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার এই ঐতিহাসিক অভিযান মানবতার পক্ষে বৈশ্বিক বিবেকের প্রতীক। শান্তিপূর্ণ মানবিক মিশনের ওপর ইসরায়েলি ড্রোন হামলা ও নাশকতার প্রচেষ্টা আন্তর্জাতিক আইন ও মানবতার মৌলিক নীতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।”

আরও পড়ুন: হাজী আ. লতিফ ভুইয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে নবীন বরণ ও পুরস্কার বিতরণী

ডাকসু জানায়, ফ্লোটিলায় অংশ নেওয়া স্বেচ্ছাসেবক, মানবাধিকার কর্মী ও নাবিকদের নিরাপত্তা নিয়ে তারা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। এই সাহসী কর্মীরা গাজার অবরুদ্ধ জনগণের কাছে আশা, খাদ্য ও চিকিৎসাসামগ্রী পৌঁছে দিতে জীবন ঝুঁকির মধ্যে কাজ করছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “বহু বছর ধরে ইসরায়েল গাজাকে কার্যত ‘খোলা কারাগার’-এ পরিণত করেছে। খাদ্য, ওষুধ ও ন্যূনতম মানবিক প্রয়োজন থেকে জনগণকে বঞ্চিত করা এই অবরোধ গণশাস্তির এক ভয়াবহ রূপ, যা গণহত্যার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।”

ডাকসু আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, জাতিসংঘ ও বিশ্ব মানবাধিকারের পক্ষে কাজ করা সব প্রতিষ্ঠানকে আহ্বান জানিয়েছেঅবরোধ ভেঙে ফ্লোটিলার নিরাপদ গমন নিশ্চিত করতে এবং গাজায় চলমান গণহত্যা বন্ধে অবিলম্বে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে।

বিবৃতির শেষে এস এম ফারহাদ বলেন, “বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম কখনও নীরব থাকতে পারে না, যখন গাজার ভাই-বোনেরা রক্ত ঝরাচ্ছে। আমরা গাজার পাশে আছি, ফিলিস্তিনের পাশে আছি। গণহত্যা বন্ধ করতে হবে, অবরোধ ভাঙতে হবে, গাজাকে বাঁচতে দিতে হবে।”য়া হয়েছে।