ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে শিক্ষা, গবেষণা ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহী অস্ট্রেলিয়া
বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাই কমিশনার সুযান রাইল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে শিক্ষা, গবেষণা, সংস্কৃতি এবং প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
বুধবার (২৪ জুন) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের রুটিন দায়িত্বে নিয়োজিত প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালামের সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আগ্রহের কথা জানান।
আরও পড়ুন: অর্ধ-বার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার সূচি পরিবর্তন, নতুন তারিখ ঘোষণা
বৈঠকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শিক্ষা, গবেষণা, সংস্কৃতি ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে প্রকৌশল, কম্পিউটার বিজ্ঞান, তথ্যপ্রযুক্তি, ইলেকট্রনিক্স, নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং, রোবোটিক্স এবং অন্যান্য আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানভিত্তিক বিষয়ে যৌথ গবেষণা ও একাডেমিক বিনিময় কর্মসূচি সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
আরও পড়ুন: বিভিন্ন অভিযোগে ঢাবির ৪ শিক্ষক ও ৩ কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত
অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, সংস্কৃতি ও উদ্ভাবনমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অতিথিদের অবহিত করেন। তিনি বলেন, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকৌশল অনুষদসহ বিভিন্ন আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। জাতীয় উন্নয়ন ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।
অস্ট্রেলিয়ার হাই কমিশনার সুযান রাইল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক সাফল্য এবং আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ে অগ্রগতির প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা খাত উল্লেখযোগ্য উন্নতি অর্জন করেছে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হচ্ছে।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দেন।
সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে অতিথিরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগে আয়োজিত “Antarctic Science & Climate Change” শীর্ষক প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট প্যানেল আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।





