ইবি ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ, হল শাখার ওয়াকআউট ও উদ্বেগ

Sanchoy Biswas
ইবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৭:১৫ অপরাহ্ন, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ৪:১৩ পূর্বাহ্ন, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির (আইইউডিএস) সভাপতির বিরুদ্ধে নিয়মবহির্ভূত কমিটি গঠন ও অর্থ গোপনের অভিযোগ প্রমাণিত হলেও কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ সংগঠনটির সদস্যদের। সংগঠনটির মডারেটর ও সহকারী মডারেটরের এমন ‘একপাক্ষিক’ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আলোচনাস্থল ওয়াকআউট করেছে সাদ্দাম হোসেন হল ডিবেটিং সোসাইটি। অন্যদিকে, উদ্ভূত এ পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য হল ডিবেটিং সোসাইটি। গত মঙ্গলবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল ডিবেটিং সোসাইটির অফিসিয়াল পেজ থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকাল ৩টার দিকে ডিবেটিং সোসাইটির অফিসে কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সংগঠনের সভাপতির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ নিয়ে আলোচনা হয়। এতে নিয়মবহির্ভূত কমিটি গঠন, অর্থের তথ্য গোপনের অভিযোগ প্রমাণিত হলেও অভিযুক্ত ইয়াছিনকে ভবিষ্যতে দায়িত্ব অবহেলা বা সাংগঠনিক দায়িত্বে গাফিলতি না করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ব্যবস্থা না নিয়ে সতর্কীকরণ করায় তাৎক্ষণিক সভা থেকে ওয়াকআউট করেন সাদ্দাম হোসেন হল ও জুলাই-৩৬ হল ডিবেটিং সোসাইটির প্রতিনিধিরা।

আরও পড়ুন: গণমাধ্যম ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণের সংযোগ জোরদারে ঢাবি-ঢাকা ডক্ল্যাবের সমঝোতা

হল শাখার তথ্য বলছে, সভাপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া সত্ত্বেও মডারেটর ও সহকারী মডারেটর ‘একপাক্ষিক’ সিদ্ধান্ত নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী মডারেটর সাদিউর রহমান বলেন, মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলাম। নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ‘বিস্তারিত পরে জানাবো’ বলে মুঠোফোন কেটে দেন তিনি।

আরও পড়ুন: সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের তথ্য-উপাত্ত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির কাছে হস্তান্তর

একপাক্ষিক সিদ্ধান্তের অভিযোগ প্রসঙ্গে ইবি ডিবেটিং সোসাইটির মডারেটর অধ্যাপক ড. জুলফিকার আলী বলেন, দুজন সদস্য সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত না হয়ে চলে যাওয়া তাঁদের ব্যক্তিগত বিষয়। আইইউডিএস-এর (IUDS) সঙ্গে হলগুলোর সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। কারও কথামতোই মতামত দিতে হবে—এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। এক্সিকিউটিভ বডি ও মডারেটর প্যানেল বিচার-বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

টাকা আত্মসাতের বিষয়ে তিনি বলেন, দুই-তিন মাস টাকা দিচ্ছে না, চাইছে কিন্তু দিচ্ছে না। সেটা হতে পারে, সে দেবে না, দিচ্ছে না। একে কি আত্মসাৎ বলব? ইয়াসিন আলী আমার কে? তো আমার তো কাউকে বাঁচানোর কিছু নেই।