ওমরাহ পালনে ইচ্ছুকদের জন্য দুঃসংবাদ

Any Akter
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩:৫৬ অপরাহ্ন, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে ওমরাহ পালনের পরিকল্পনা করা বিদেশি মুসল্লিদের দ্রুত বুকিং দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ভ্রমণসেবা সংশ্লিষ্টরা। দেরি করলে ওমরাহ প্যাকেজের খরচ দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক ট্যুর অপারেটর ও ভ্রমণ সংস্থাগুলো।

খালিজ টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রমজান মাসে মক্কা ও মদিনায় লাখ লাখ মুসল্লির আগমনের কারণে পরিবহন ও আবাসন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। ফলে শেষ মুহূর্তে বুকিং দিলে তুলনামূলক কম দামের প্যাকেজ পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

আরও পড়ুন: হিমালয়ের বরফ ধস-বন্যায় বাংলাদেশসহ ৮ দেশের জন্য সতর্কবার্তা

ওমরাহ অপারেটরদের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাসে যাতায়াতসহ ওমরাহ প্যাকেজের খরচ প্রায় ১ হাজার ২০০ দিরহাম। তবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই এই ব্যয় বেড়ে ১ হাজার ৪০০ দিরহাম ছাড়াতে পারে। রমজান যত ঘনিয়ে আসবে, প্যাকেজের দাম ২ হাজার দিরহামেরও বেশি হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, অনেক যাত্রী শেষ মুহূর্তে সস্তা প্যাকেজের আশায় বুকিং পিছিয়ে দেন। কিন্তু রমজানের ব্যস্ত সময়ে আসন ও হোটেল সীমিত হয়ে পড়ায় শেষ পর্যন্ত তাদের বেশি অর্থ ব্যয় করতে হয়।

আরও পড়ুন: রাশিয়ার বিরুদ্ধে ট্রাম্পের বড় নিষেধাজ্ঞা বিল পাশ

বিমানযাত্রাসহ ওমরাহ প্যাকেজের ক্ষেত্রে খরচ বৃদ্ধির হার আরও বেশি হতে পারে। বর্তমানে এই প্যাকেজগুলোর মূল্য শুরু হচ্ছে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ দিরহাম থেকে। তবে রমজান শুরু হলে দাম ৫ হাজার ২০০ দিরহাম ছাড়িয়ে ৮ হাজার দিরহাম পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলে জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ট্যুর অপারেটররা। বিশেষ করে রমজানের শেষ দশকে ওমরাহ করতে গেলে ব্যয় সবচেয়ে বেশি হবে বলে জানিয়েছেন তারা।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, উড়োজাহাজের টিকিটের দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকলেও হোটেল ভাড়াই ব্যয় বৃদ্ধির প্রধান কারণ। হারামের হাঁটা দূরত্বে অবস্থিত হোটেলগুলোর ভাড়া রমজানে দ্বিগুণ এবং শেষ দশ দিনে তিনগুণ পর্যন্ত বেড়ে যায়।

এ ছাড়া হজ প্রস্তুতির কারণে ওমরাহ ভিসার সময়সীমা নিয়েও সতর্ক করেছেন সংশ্লিষ্টরা। আগামী ১৭ মার্চের পর ওমরাহ ভিসার আবেদন বন্ধ হবে। ভিসাধারীদের ২ এপ্রিলের মধ্যে সৌদি আরবে প্রবেশ করতে হবে এবং ১৮ এপ্রিলের মধ্যে দেশ ত্যাগ করা বাধ্যতামূলক। খরচ ও সময়—দুটো বিষয় বিবেচনায় নিয়ে আগেভাগে পরিকল্পনা ও বুকিং সম্পন্ন করার পরামর্শ দিয়েছেন ভ্রমণ খাত সংশ্লিষ্টরা।