ইরান-হিজবুল্লাহর হামলার আতঙ্কে মানসিক রোগী বাড়ছে ইসরায়েলে

Sadek Ali
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:২১ পূর্বাহ্ন, ১৪ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ৫:২১ অপরাহ্ন, ১৪ মার্চ ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ইরান ও হিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার আশঙ্কায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ব্যাপকভাবে বদলে গেছে ইসরাইলে। নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটে যাওয়া এবং সাইরেনের শব্দে আতঙ্কিত হওয়া এখন অনেক বাসিন্দার দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দিনে কয়েকবারই সাইরেন বাজে এবং মানুষ মুহূর্তের মধ্যে আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যান। কিছু সময় পর বিপদ কেটে যাওয়ার ঘোষণা এলে তারা আবার ঘরে ফেরেন। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আবার নতুন করে আতঙ্ক শুরু হয়।

আরও পড়ুন: ইউক্রেনে রুশ হামলায় নিহত ২৬, ধ্বংসস্তূপে নিখোঁজ ২৭

এই পরিস্থিতি দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকায় সাধারণ মানুষের মানসিক চাপ ও উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

কিছু ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে সাইরেন বেজে উঠলেও কোনো হামলা ঘটে না। আবার কখনো প্রকৃত হামলার সময় সাইরেন কাজ না করার ঘটনাও ঘটছে। এতে মানুষের মধ্যে আরও অনিশ্চয়তা ও আতঙ্ক তৈরি হচ্ছে।

আরও পড়ুন: মধ্যবর্তী নির্বাচনে জনমতে এগিয়ে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী, ট্রাম্পের দল চাপে?

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, দীর্ঘমেয়াদি এই চাপ এবং অনিদ্রার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে মানসিক সমস্যা ও উদ্বেগজনিত রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

এদিকে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। শিক্ষাবিদরা বলছেন, এই পরিস্থিতিতে নিয়মিত স্কুল কার্যক্রম ও কর্মজীবনও ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে, যা সামাজিক ও মানসিক স্থিতিশীলতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

এ ছাড়া অনেক পরিবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাড়তি খরচের মুখে পড়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান, জরুরি খাদ্য ও পানীয় মজুত রাখা—এসব বিষয় এখন অনেক পরিবারের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।