ইউক্রেনের ওলেশকিতে মেলানিয়া ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যে নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগের খবর সামনে এসেছে। ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় ওলেশকি শহরে স্থানীয় যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের উদ্যোগে এই অগ্রগতি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকেই ওলেশকি শহরটি রুশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। শুক্রবার হোয়াইট হাউসের ঘোষণার পর ইউক্রেনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, শিগগিরই শহরটিতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হতে পারে।
আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা: ইসরায়েলের দখলদারিত্বকে দায়ী করল ৪ দেশ
এদিকে ক্রেমলিনের এক মুখপাত্রের বক্তব্য অনুযায়ী, যুদ্ধক্ষেত্রে যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের সময় নির্ধারণে রুশ সামরিক বাহিনী কাজ করছে। এই উদ্যোগকে যুদ্ধ বন্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে বৃহত্তর সংঘাত নিরসনে এই উদ্যোগ কতটা প্রভাব ফেলবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
মানবিক সংকটে ওলেশকি
আরও পড়ুন: ফ্রান্সজুড়ে নতুন বিক্ষোভ ঘিরে বাড়ছে উদ্বেগ, ৭০ হাজার পুলিশ মোতায়েন
শহরটির পরিস্থিতি তুলে ধরে মেলানিয়া ট্রাম্প এক বিবৃতিতে বলেন, ওলেশকি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। বিদ্যুৎ-সংকট, মাইন পুঁতে রাখা সড়ক এবং অব্যাহত সামরিক হামলার মধ্যে সেখানকার বাসিন্দাদের দিন কাটছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, সরাসরি উদ্যোগ না নিলে শহরটিতে জরুরি মানবিক সহায়তা পৌঁছানো এবং বয়স্ক বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া কঠিন হতো। তাঁর প্রতিনিধিরা স্থানীয় যুদ্ধবিরতির শর্ত নির্ধারণে রাশিয়া ও ইউক্রেনের নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
এই উদ্যোগের আওতায় শহরটির সাধারণ মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিতে দুই দেশের বেসামরিক প্রতিনিধিরা যৌথভাবে কাজ করবেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। তবে যুদ্ধবিরতির কার্যকর হওয়ার সময়, বাস্তবায়ন পদ্ধতি এবং মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।





