নাহিদের রিট খারিজ, বিএনপির কাইয়ুমের নির্বাচনে বাধা নেই

Sadek Ali
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ২:৪৪ অপরাহ্ন, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ২:৪৪ অপরাহ্ন, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ঢাকা-১১ সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। দ্বৈত নাগরিকত্ব ও হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ তুলে রিট করেছিলেন এনসিপির প্রার্থী মো. নাহিদ ইসলাম।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রিট আবেদনটি খারিজের আদেশ দেন।

আরও পড়ুন: শেখ হাসিনা ১০, টিউলিপ ৪, রাদওয়ান ও আজমিনার ৭ বছর কারাদণ্ড

আদালতে রিটকারী মো. নাহিদ ইসলামের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন ও আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুসা। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন দায়িত্বপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ। অন্যদিকে এম এ কাইয়ুমের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী আহসানুল করীম ও রুহুল কুদ্দুস কাজল।

এর আগে সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রিট দায়েরের পর আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুসা জানান, বিএনপির প্রার্থী এম এ কাইয়ুম ভানুয়াতুর নাগরিকত্ব ধারণ করেছেন এবং হলফনামায় সে তথ্য গোপন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী দ্বৈত নাগরিকত্বধারীরা সংসদ সদস্য নির্বাচনে অংশ নিতে অযোগ্য—এ যুক্তিতেই রিট দায়ের করা হয়।

আরও পড়ুন: শেখ হাসিনা–শেখ রেহানা ও টিউলিপ সিদ্দিকসহ ১৮ আসামির রায় আজ

তিনি আরও জানান, কাইয়ুমের প্রার্থিতা স্থগিত চেয়ে আদালতের কাছে আবেদন জানানো হয়েছিল এবং দ্রুত শুনানির প্রত্যাশা করা হয়েছিল।

ঢাকা-১১ সংসদীয় আসনটি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের গুলশান এলাকার ২১, ২২, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪১ ও ৪২ নম্বর ওয়ার্ড এবং সবুজবাগ এলাকার ২৩ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৭৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ২২ হাজার ৮৭৭ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ১৬ হাজার ১৯৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন তিনজন।

এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির এম এ কাইয়ুম, এনসিপির মো. নাহিদ ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী কহিনূর আক্তার বীথি, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের কাজী মো. শহীদুল্লাহ, গণফোরামের মো. আবদুল কাদের, গণঅধিকার পরিষদের মো. আরিফুর রহমান, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মো. জাকির হোসেন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মো. মিজানুর রহমান, জাতীয় পার্টির শামীম আহমেদ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শেখ মো. ফজলে বারী মাসউদ।