চল্লিশের পর মাতৃত্বে শরীর প্রস্তুত রাখতে যেসব ব্যায়াম জরুরি

Any Akter
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: ৬:০২ অপরাহ্ন, ১৭ মে ২০২৬ | আপডেট: ৭:১০ অপরাহ্ন, ১৭ মে ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বর্তমানে অনেক নারী চল্লিশ পেরিয়েও স্বাভাবিকভাবে মা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। চিকিৎসকদের মতে, বয়স বাড়লেও সঠিক প্রস্তুতি, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং নিয়মিত ব্যায়ামের মাধ্যমে এ বয়সেও মাতৃত্ব সম্ভব। তবে বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে নারীদের ডিম্বাণুর মান ও সংখ্যা কমে যেতে পারে। একই সঙ্গে হরমোনের ভারসাম্যেও পরিবর্তন আসে। ফলে গর্ভধারণের আগে শরীরকে প্রস্তুত রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, নিয়মিত ব্যায়াম ও যোগব্যায়াম প্রজনন স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে। বিশেষ করে কিছু নির্দিষ্ট ব্যায়াম পেলভিক অংশে রক্তসঞ্চালন বাড়িয়ে জরায়ুকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।

আরও পড়ুন: ডিহাইড্রেশনজনিত মাথাব্যথা নাকি মাইগ্রেন? লক্ষণ ও পার্থক্য জানুন

বদ্ধ কোণাসন বা বন্ধ কোণ ভঙ্গি

এই যোগব্যায়াম পেলভিক পেশি শক্তিশালী করতে কার্যকর। এ জন্য মেঝেতে বসে দুই পায়ের পাতা একসঙ্গে জোড়া লাগিয়ে হাঁটু ধীরে ধীরে ওপর-নিচ করতে হয়। এতে শ্রোণিদেশে রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি পায় এবং জরায়ুর কার্যক্ষমতা উন্নত হতে পারে।

আরও পড়ুন: ক্যাফেইন ছাড়াও বাড়তে পারে মনোযোগ, বলছেন বিশেষজ্ঞরা

সেতু বন্ধাসন বা পেলভিক টিল্ট

চিৎ হয়ে শুয়ে হাঁটু ভাঁজ করে কোমর ধীরে ধীরে উপরে তুলতে হয় এবং কয়েক সেকেন্ড ধরে রেখে আবার নামাতে হয়। এই ব্যায়াম পেলভিক অঞ্চলের পেশি শক্তিশালী করে এবং প্রজনন অঙ্গের কার্যকারিতা বাড়াতে সহায়তা করে।

মালাসন বা ডিপ স্কোয়াট

দুই পা কিছুটা ফাঁক রেখে ধীরে ধীরে বসার ভঙ্গিতে নামতে হয়। কনুই হাঁটুর ভেতরে রেখে ভারসাম্য বজায় রাখতে হয়। এই ব্যায়াম শরীরের নিচের অংশের পেশি শক্ত করে এবং প্রজনন স্বাস্থ্য উন্নত করতে সহায়ক।

বেঞ্চ স্টেপ আপ

একটি উঁচু স্থানে এক পা রেখে শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতে হয়, এরপর অন্য পা একইভাবে উঠাতে হয়। এই ব্যায়াম শরীরের স্থিতিশীলতা ও শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। চিকিৎসকদের মতে, চল্লিশের পর মাতৃত্বে কিছু স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকলেও নিয়মিত শরীরচর্চা, সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা সেই ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে আনতে পারে। এ ক্ষেত্রে গর্ভধারণের আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।