গার্ডার পড়ে নিহত রুবেলের স্ত্রী দাবি করছেন ৭ নারী!
রাজধানীর উত্তরায় নির্মাণাধীন বাস র্যাপিড ট্রানজিটের (বিআরটি) গার্ডার প্রাইভেটকারের ওপর পড়ে একই পরিবারের পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য ওই পাঁচজনের মরদেহ নেওয়া হয়।
এদিকে, ওই পরিবারের গৃহকর্তা নিহতের রুবেলের লাশের দাবিতে সাতজন স্ত্রী সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গের সামনে হাজির হয়েছেন। তারা সবাই নিজেকে নিহত রুবেলের স্ত্রী হিসেবে দাবি করছেন। মর্গের সামনে হাজির হয়েছেন ওই নারীদের ছেলে-মেয়েরাও।
আরও পড়ুন: শেখ হাসিনা ইস্যুতে দিল্লিকে সতর্ক থাকার আহ্বান ঢাকার
নিহত রুবেলের স্ত্রীদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রুবেলের প্রথম স্ত্রীর নাম রেহানা। তার সঙ্গে ৩০ বছর আগে বিয়ে হয় রুবেলের। সেই ঘরের প্রথম ছেলে হৃদয় সদ্য বিবাহিত স্ত্রীকে নিয়ে দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে ফেরেন।
রুবেলর প্রথম স্ত্রী রেহানার ভগ্নিপতি রহমত বলেন, ‘আমরা শরীয়তপুরে থাকি। আমাদের রুবেল বায়িং হাউজের ব্যবসা করতেন বলে জানতাম।আমরা তেমন একটা ঢাকায় আসতাম না। মৃত্যুর খবর শুনে আসলাম। শুনেছিলাম সে আরেকটা বিয়ে করেছেন।’
আরও পড়ুন: বিদ্যুতের দাম সমন্বয়ে অর্থমন্ত্রীকে প্রধান করে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন
রুবেলের দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম শাহেদা। তার ঘরে রত্না নামে ১৪ বছরের একটি মেয়ে আছে। রত্নার বাড়ি মানিকগঞ্জের সিংগাইর এলাকায়। তিনি ঢাকার উত্তরায় থাকেন। তবে শাহেদা নিজেকে প্রথম স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দেন।
শাহেদা বলেন, ‘আমার সঙ্গে ১৯৯৯ সালে রুবেলের বিয়ে হয়েছে। আমিই প্রথম। আমাকে সে কখনো বলেনি তার আরেকজন স্ত্রী আছে।’
রুবেলের তৃতীয় স্ত্রী দাবি করা আরেক নারীর নাম সালমা আক্তার পুতুল। তিনি মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় থাকেন। ২০১৪ সালে রুবেলের সঙ্গে তার বিয়ে হয় বলে দাবি করেন। রুবেলের একজন ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসায়ী বলে তিনি জানতেন বলে জানান। তবে, রুবেলের সঙ্গে তার বিয়ের কোনো সনদ নেই।
এরপর পাতা খন্দকার নামে আরেকজন নারী রুবেলর স্ত্রী বলে দাবি করছেন। পাতাকে ২০২০ সালের দিকে রুবেল বিয়ে করেন। এছাড়া আরও তিন নারী রুবেলের স্ত্রী হিসেবে দাবি করে মর্গের সামনে লাশের জন্য অপেক্ষা করছেন।





