বৃক্ষ সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণ বিষয়ক গবেষণা বৃদ্ধি করা হবে: পরিবেশ মন্ত্রী

Abid Rayhan Jaki
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮:০৫ অপরাহ্ন, ২০ মে ২০২৪ | আপডেট: ৯:১০ পূর্বাহ্ন, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বৃক্ষরোপণ অভিযান জোরদারের অংশ হিসেবে বিলুপ্তপ্রায় বৃক্ষ সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণে গবেষণা কার্যক্রম জোরদার করা হবে বলে জানান পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, সহব্যবস্থাপনা ও সহযোগিতামূলক বন ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে বন ব্যবস্থাপনা করা হচ্ছে ফলে বন ও বনভূমি অনেক বেশি টেকসই হচ্ছে। বিদ্যমান বনভূমিতে ব্যাপকভাবে বনায়ন করে বনের আচ্ছাদন বৃদ্ধি করা হচ্ছে। বনভূমি উজাড় রোধে জবরদখলকৃত বনভূমি চিহ্নিতপূর্বক উদ্ধার করা হচ্ছে এবং বনায়ন করা হচ্ছে।

আজ সোমবার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ‘বৃক্ষরোপণে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার-২০২২ ও ২০২৩’ পদক সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির সভায় পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা চূড়ান্তকরণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে পরিবেশমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: রাজনৈতিক অনিশ্চয়তায় অর্থনীতিতে মন্দাভাব, বিনিয়োগে স্থবিরতা: পরিকল্পনা উপদেষ্টা

সভায় বনমন্ত্রী সাবের চৌধুরী বলেন, বন ও বনভূমি রক্ষায় টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। বন ও বনভূমির ডিজিটাল বাউন্ডারি ম্যাপিং এর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে ফলে বনভূমি জবরদখল চিহ্নিত করা সহজ হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় সারা দেশে সবুজায়ন কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। বিশেষ করে শহরে বাড়ির ছাদসহ অন্যান্য স্থানে কিভাবে গাছ লাগানো যায়, সেটা গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে।

সভায় বৃক্ষরোপণে বিশেষ অবদান রাখায় প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কারের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তিগত পর্যায়, ব্যক্তি মালিকানাধীন নার্সারি, বন বিভাগ কর্তৃক সৃজিত বাগান, বাড়ির ছাদে বাগান সৃজন, বৃক্ষ গবেষণা, সংরক্ষণ ও উদ্ভাবন প্রভৃতি ক্যাটাগরিতে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর আগে উপজেলা, জেলা ও বিভাগ পর্যায়ের কমিটিতে যাচাই-বাছাই শেষে খসড়া তালিকা প্রণয়ন করা হয়।

আরও পড়ুন: গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে দেশে আর কখনও ‘রাতের ভোট’ হবে না: অধ্যাপক আলী রিয়াজ

১৯৯৩ সাল থেকে চালু হওয়া এই পুরস্কারের প্রতিটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কারপ্রাপ্তদের সনদপত্র দেওয়া হবে। আর পুরস্কারের মূল্যমান হিসেবে প্রথম পুরস্কারের জন্য এক লাখ টাকা, দ্বিতীয় পুরস্কারের জন্য ৭৫ হাজার এবং তৃতীয় পুরস্কারের জন্য ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হবে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সাবেক উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, জাতীয় কমিটির সদস্য আরমা দত্ত এমপি, মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড এমদাদুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড মো: আবু তাহের; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমিরেটস অধ্যাপক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান, অতিরিক্ত সচিব(উন্নয়ন) মোশাররফ হোসেন, অতিরিক্ত সচিব(পরিবেশ) ড ফাহমিদা খানম-সহ কমিটির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।