১৩ বছর পর সিরডাপের গভর্নিং কাউন্সিলের সভাপতি হলো বাংলাদেশ

Abid Rayhan Jaki
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১:১১ অপরাহ্ন, ০৭ জুন ২০২৪ | আপডেট: ৪:১৯ পূর্বাহ্ন, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

১৩ বছর পর সিরডাপ(CIRDAP) গভর্নিং কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচিত হলো বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অনুষ্ঠিত সিরডাপের গভর্নিং কাউন্সিলের ২৪তম সভায় সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিগণের সমর্থনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলামকে পরবর্তী দুইবছরের জন্য সভাপতি পদে নির্বাচিত করা হয়। 

৪-৬ জুন ব্যাংককে সিরডাপের গভর্নিং কাউন্সিলের তিনদিনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য  সদস্য রাষ্ট্রগুলি কেন্দ্রের কার্যক্ষমতা সম্পর্কে বিশদভাবে আলোচনা করা হয়৷ সমাপনী দিনে বাংলাদেশকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত আগামী দুই বছরের জন্য গভর্নিং কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। গভর্নিং কাউন্সিলের সভায় সভাপতিত্ব করেন সিরডাপের নবনির্বাচিত সভাপতি স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম এমপি। 

আরও পড়ুন: গভীর রাতে রাজধানীর পাড়া মহল্লায় আইজিপির পরিদর্শন অভিযান

সভাপতির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে একটি মনোমুগ্ধকর পরিবেশে সিরডাপের যাত্রা শুরু হয়েছিল৷ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এটি সমন্বিত পল্লী উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ, গবেষণা এবং নীতি নির্ধারনে স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে অগ্রনী ভূমিকা পালন করে এসেছে। আমরা সিরডাপের ম্যান্ডেট এবং সাংঠনিক দর্শনের উপর জোর দিতে চাই, যাতে করে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা পালন করতে পারে৷ 

তিনি সিরডাপের ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা কী হবে সে প্রসঙ্গে উল্লেখ করে বলেন, আমাদের জানতে হবে কেন এই অঞ্চলের লক্ষ লক্ষ গ্রামীণ দরিদ্রের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সিরডাপ ব্যর্থ হচ্ছে। আন্তর্জাতিক পরিসরে নেতৃত্বদানকারী জাতিসংঘের ফুড এন্ড এগ্রিকালচার সংস্থা( FAO) এর সমর্থন এবং সহযোগিতার উপর জোর দিতে হবে৷ সংগঠনটিকে আরও ফলপ্রসু এবং যুগোপযোগী করে গড়ে তুলতে সুনির্দিষ্ট কর্মপন্থা নির্ধারন করতে হবে৷ 

আরও পড়ুন: সেনাবাহিনীর শীর্ষ ৬ পদে রদবদল

বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ ক্ষুদ্রঋণ, দারিদ্র‍্য বিমোচন, সামাজিক নিরাপত্তা বেস্টনি, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা, খাদ্য নিরাপত্তা, প্রাথমিক শিক্ষা, টিকাদান এবং সংক্রামক রোগ মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে। যেহেতু গ্রামীণ উন্নয়ন আমাদের দেশের একটি অগ্রাধিকার এজেন্ডা সেহেতু আমরা চাই, সিরডাপভুক্ত সদস্য রাষ্ট্র এবং অন্যান্য আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সংস্থার সাথে পারষ্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে যেতে।

উল্লেখ্য যে, গভর্নিং কাউন্সিল এর সভার পূর্বে গত ৪ ও ৫ জুন সিরডাপ এর এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মোসাম্মৎ শাহানারা খাতুন বাংলাদেশের পক্ষে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও

সিরডাপের সদস্যরাষ্ট্র ভারত, মালেশিয়া, থাইল্যান্ড, ফিজি, ইরানের প্রতিনিধিগণ উক্ত গভর্নিং কাউন্সিলের সভায় উপস্থিত ছিলেন।