শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিলেন আমিনুল হক

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৭:১৭ অপরাহ্ন, ১৭ নভেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ৫:০৩ অপরাহ্ন, ১১ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বিএনপির কেন্দ্রীয় ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক ও ঢাকা–১৬ আসনের ধানের শীষ প্রার্থী আমিনুল হক সোমবার (১৭ নভেম্বর) রাজধানীর পল্লবীর ইসলামিয়া হাই স্কুলে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বক্তৃতা কালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দেন।

তিনি বলেন, “আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের শিক্ষা ও রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের ধারা শুরু করেছেন। আমরা চাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাধীনভাবে চলুক এবং সেখানে কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ না থাকে।”

আরও পড়ুন: দুর্গাপূজা ও আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে এমপিদের কঠোর নির্দেশনা

অতীতের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে আমিনুল হক আরও বলেন, “গত ১৭ বছরে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতারা স্কুলের যেকোনো অনুষ্ঠানে এসে মঞ্চের চেয়ার দখল করতেন। প্রধান শিক্ষক পর্যন্ত অনেক সময় বসার সুযোগ পেতেন না। আমরা সেই রাজনীতি আর করতে চাই না। শিক্ষক–শিক্ষিকাদের সর্বোচ্চ সম্মান দেব।”

তিনি জানান, বিএনপি ক্ষমতায় এলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে এবং শিক্ষক–শিক্ষিকাদের মর্যাদা আরও বাড়ানো হবে। তারেক রহমানের পরিকল্পনার আলোকে “আগামীর শিক্ষা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করতে আরও গুণগত পরিবর্তন আনা হবে। শিক্ষক–শিক্ষিকারা গর্ব ও উৎসাহ নিয়ে পেশায় থাকতে পারুক—এটাই আমাদের লক্ষ্য।”

আরও পড়ুন: রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় ২ বাংলাদেশি নিহত, আইসিইউতে ৪ জন

অতীত ১৫ বছরে জনগণ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার কথা উল্লেখ করে আমিনুল হক বলেন, “আগামী ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনে জনগণ যেন নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন। সকলে ঘুম থেকে উঠে, নাস্তা খেয়ে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবেন।”

তিনি শিক্ষার সুযোগ সবার জন্য নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, “অর্থের অভাবে কোনো সন্তান যেন শিক্ষার মান থেকে বঞ্চিত না হয়—আমরা সে বিষয়ে নজর রাখছি।”

বিএনপি নির্বাচিত হলে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও নাগরিক সমস্যার সমাধান হবে বলে আশ্বাস দেন আমিনুল হক। তিনি বলেন, “ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হলে এলাকার সব সমস্যার সমাধান হবে।”