ভারত-বাংলাদেশ উত্তেজনার প্রভাব অর্থনীতিতে পড়বে না: অর্থ উপদেষ্টা
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার চলমান উত্তেজনার কোনো নেতিবাচক প্রভাব দেশের অর্থনীতি ও বাণিজ্যে পড়বে না বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, মুস্তাফিজকে নিয়ে যেটা ঘটেছে সেটা দুঃখজনক। শুরুটা কিন্তু বাংলাদেশ করেনি। একজন ভালো, বিখ্যাত প্লেয়ার খেলতে যাবে—দয়া-দাক্ষিণ্য করে তাকে নেয়নি। হঠাৎ করে বন্ধ করে দেওয়া অপ্রত্যাশিত ও দুঃখজনক। এটা দুই দেশের কারো জন্যই ভালো নয়।
আরও পড়ুন: ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশসহ চার সংশোধনীতে উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদন
তবে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার এই রাজনৈতিক টানাপড়েনের কোনো প্রভাব দেশের অর্থনীতি ও বাণিজ্যে পড়বে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
রাজনৈতিক প্রভাব পড়বে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আমার মনে হয় এখানে ইমোশনাল বিষয় কাজ করেছে। দুই পক্ষই বিষয়টি বিবেচনা করবে। আমরা চাই না সম্পর্কের কোনো ধরনের ব্যাঘাত ঘটুক।
আরও পড়ুন: সরকারের ফ্যাসিস্ট হয়ে ওঠার পথ বন্ধ করতেই এই গণভোট: অধ্যাপক আলী রীয়াজ
ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, মোস্তাফিজ একজন সেরা খেলোয়াড়—এটা সবাই স্বীকার করে, তারাও স্বীকার করে। বাংলাদেশ যে রেসপন্স দিয়েছে, সেটি সম্পূর্ণভাবে অ্যাপ্রোপিয়েট। এ ধরনের অ্যাকশন কেউ শুরু করলে রিয়েকশন তো হবেই।
এ সময় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টাও বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, একটা ক্রিয়া হলে আরেকটা প্রতিক্রিয়া হবে। ওরা আমাদের খেলোয়াড়কে ডেকে নিয়ে প্রত্যাহার করেছে—তার প্রতিবাদে আমরা যা করেছি, সেটা প্রপার রেসপন্স।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বকাপের ভেন্যু পরিবর্তনের কথাও আলোচনায় এসেছে। বাংলাদেশের অবস্থান যৌক্তিক বলেই মনে করেন তিনি। আমাদের প্রতিক্রিয়া ইন্ডিয়ানদেরও ভাবাচ্ছে। এমনকি একজন ভারতীয় সংসদ সদস্যও বলেছেন—এটা উচিত হয়নি। আমি মনে করি, যেখান থেকে বিষয়টি শুরু হয়েছে, সেখানেই শুভ বুদ্ধির উদয় হবে। আমরা খেলাধুলা চালিয়ে যেতে পারব, একই সঙ্গে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কও অব্যাহত থাকবে।





