ভোটের আগে-পরে নির্দিষ্ট নৌযান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা ইসির

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮:২৮ পূর্বাহ্ন, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৮:২৮ পূর্বাহ্ন, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে ভোটগ্রহণের দিন এবং এর আগে-পরে নির্দিষ্ট কিছু নৌযান চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে জরুরি সেবা ও বিশেষ প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে।

মঙ্গলবার  (২৭ জানুয়ারি) নির্বাচন পরিচালনা-০২ অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিবকে এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক কমানোর ঘোষণা আসতে পারে শিগগিরই

ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের আগের দিন মধ্যরাত অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ভোটগ্রহণের দিন শেষ হওয়া পর্যন্ত ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। এ সময় নির্ধারিত রুটে চলাচলকারী নৌযান ব্যতীত সব ধরনের লঞ্চ ও ইঞ্জিনচালিত নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে।

তবে রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি সাপেক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, তাদের নির্বাচনী এজেন্ট এবং দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষকদের ক্ষেত্রে (বৈধ পরিচয়পত্র থাকা সাপেক্ষে) এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা যাবে।

আরও পড়ুন: এখনো চার শতাধিক পিস্তল নিখোঁজ রয়েছে, যা দুশ্চিন্তার কারণ

এ ছাড়া নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে—

নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহে নিয়োজিত দেশি-বিদেশি সাংবাদিক, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের কর্মীরা। পাশাপাশি ভোটার ও সাধারণ মানুষের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত নৌযান এবং দূরপাল্লার নৌযানও নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, স্থানীয় বাস্তবতা ও প্রয়োজন বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার প্রয়োজনে অতিরিক্ত নৌযানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ কিংবা শিথিল করার ক্ষমতা রাখবেন।