বিএনপি নেতা-কর্মীদের নজরদারিতে রাখা হয়েছে: মির্জা ফখরুল
বিএনপির নেতা-কর্মীদের কার্যক্রম কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলের মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, সংগঠনের ভেতরে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, অন্যথায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সোমবার (২৩ মার্চ) সকালে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের চৌধুরীপাড়া এলাকায় নেহা নদী পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ধানমণ্ডি ও গুলশান লেকের সংস্কার ও উন্নয়ন এবং এসটিপি-সংক্রান্ত বৈঠক
মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি নেতা-কর্মীদের সঠিক পথে চলতে হবে। দলের কার্যক্রমে কেউ অনিয়ম করলে তা নজরদারির আওতায় আসবে এবং প্রয়োজন হলে সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খাল পুনঃখনন কার্যক্রমকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। ১৯৭৬ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে উদ্যোগ নিয়েছিলেন, তা ধারাবাহিকভাবে চললে দেশের পানি সংকট অনেকটাই কমে যেত। বর্তমানে সেই উদ্যোগ পুনরায় জোরদার করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের জানাজায় অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী
কৃষি খাতের সমস্যার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আবহাওয়ার বৈরিতার কারণে গম, ভুট্টা ও আলুসহ বিভিন্ন ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কৃষকদের এই দুরবস্থা বিবেচনায় নিয়ে সরকার কৃষিঋণ মওকুফসহ বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম চালু করেছে। তিনি জানান, ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ এবং প্রতিটি পরিবারের জন্য ফ্যামিলি কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দেশব্যাপী ২০ হাজার খাল খননের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তিনি সংশ্লিষ্টদের সৎভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
রাজনৈতিক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনীতি করা ঠিক নয়। দেশের মানুষ ধর্মপ্রাণ হলেও ধর্ম নিয়ে ব্যবসা পছন্দ করে না।
জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে তেলের সরবরাহে চাপ সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ অজুহাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না। পেট্রোলপাম্পে হামলার মতো ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, অভিযোগ থাকলে দায়িত্বশীলদের জানাতে হবে, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া যাবে না। যেকোনো ‘মব’ কঠোরভাবে দমন করা হবে।
জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন ও রায়পুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তোফায়েল হোসেনসহ অন্যরা।





