বিপ্লবী সরকার গঠন না করে সংবিধান বাতিলের চেষ্টা প্রশ্নবিদ্ধ: পার্থ

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৭:৪৩ অপরাহ্ন, ৩১ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ৯:২৯ অপরাহ্ন, ৩১ মার্চ ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

আন্দালিব রহমান পার্থ বলেছেন, সংবিধান বাতিল বা নতুন সংবিধান প্রণয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সরকার যে প্রক্রিয়া অনুসরণ করছে, তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন রয়েছে। তিনি বলেন, যদি সত্যিই নতুন করে সংবিধান তৈরি করার ইচ্ছা থাকত, তাহলে সেই সময় একটি বিপ্লবী বা ট্রানজিশনাল সরকার গঠন করা উচিত ছিল।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জাতীয় সংসদে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ বিষয়ে নির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-এর চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের স্বনির্ভর করে তোলা হবে: মির্জা ফখরুল

পার্থ বলেন, “সংবিধান ছুড়ে ফেলার প্রশ্নই আসে না। এই সংবিধান নিয়ে এত আপত্তির কারণ কী? এটি কি একাত্তরের পরাজয়ের দলিল মনে করিয়ে দেয়?”

তিনি আরও বলেন, জুলাই ইস্যুতে তার দলের কোনো আপত্তি নেই, তবে আপত্তি রয়েছে পুরো প্রক্রিয়ায়। পুরোনো সংবিধানের অধীনে থেকে সেটি বাতিলের উদ্যোগ বাস্তবসম্মত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আরও পড়ুন: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর: রাজনীতি, সংগ্রাম ও নেতৃত্বের দীর্ঘ পথচলা

সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ভিন্নমত প্রকাশ করলেই সেটিকে ‘জুলাইয়ের বিরোধিতা’ হিসেবে উপস্থাপনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, যা অতীতের রাজনৈতিক সংস্কৃতির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

তিনি বলেন, “আগেও আমরা দেখেছি, ভিন্ন কোনো ইস্যু তুললেই সেটিকে অন্যভাবে ব্যাখ্যা করা হতো। এখন আবার একই ধরনের আচরণ লক্ষ্য করছি।”

নিজেদের অবদানের প্রসঙ্গ টেনে পার্থ বলেন, “দেশের এই অর্জনে সবার সম্মিলিত অবদান রয়েছে। দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রাম, কারাবরণ—সবকিছু মিলিয়েই আজকের অবস্থান তৈরি হয়েছে।”

গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার চারটি বিষয়ে ভোট দেওয়ার সুযোগ দিলেও, কোনো ভোটার যদি একটি বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করেন, তাহলে তার জন্য স্পষ্ট বিকল্প রাখা হয়নি। এতে ভোটারদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সীমিত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।