প্রাথমিক শিক্ষায় যুক্ত হচ্ছে নতুন বই

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩:০০ অপরাহ্ন, ১০ জুন ২০২৬ | আপডেট: ৬:৫৯ অপরাহ্ন, ১২ জুন ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল ও সাংস্কৃতিক বিকাশে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ২০২৭ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির পাঠ্যক্রমে ‘শিল্প ও সংস্কৃতি’ নামে নতুন একটি বই যুক্ত করা হবে। বইটিতে চারটি অধ্যায়ে চারু ও কারুকলা, সংগীত, নৃত্যকলা এবং নাট্যকলার বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে। ২০২৮ সালে এসব বিষয় নতুন কারিকুলামে পূর্ণাঙ্গভাবে যুক্ত হবে। বুধবার (১০ জুন) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

প্রাথমিক শিক্ষায় সংগীত, নৃত্যকলা ও সাংস্কৃতিক শিক্ষার সম্প্রসারণ, নতুন কারিকুলাম প্রণয়ন এবং দক্ষ শিক্ষক তৈরির লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত, নৃত্যকলা, নাট্যকলা ও চারুকলা বিভাগের শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের নিয়ে এ সভার আয়োজন করা হয়।

আরও পড়ুন: শাহজালাল বিমানবন্দরের বলাকা লাউঞ্জে অগ্নিকাণ্ড

সভায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক শিক্ষায় সংগীত, নৃত্যকলা ও ক্রীড়াভিত্তিক শিক্ষা সম্প্রসারণের ফলে ভবিষ্যতে বিপুলসংখ্যক বিশেষায়িত শিক্ষক ও প্রশিক্ষকের প্রয়োজন হবে। এর ফলে সংগীত, নৃত্যকলা, চারুকলা, নাট্যকলা ও ক্রীড়া বিষয়ে শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরে এ খাতে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি এসব বিষয়ে একটি টেকসই ক্যারিয়ার পাথওয়ে গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে।

আরও পড়ুন: দুই বছর ধরে ভারতে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতারা যা করছেন

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সহযোগিতা কামনা করে ববি হাজ্জাজ বলেন, “আমরা চাই আপনাদের শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পায়। সে লক্ষ্যে কীভাবে তাদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া যায়, কীভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমের সঙ্গে শিক্ষকতা-সম্পর্কিত প্রস্তুতি যুক্ত করা যায় এবং কীভাবে যৌথভাবে দক্ষ শিক্ষক তৈরি করা যায়—সেসব বিষয়ে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে চাই।”

তিনি আরও বলেন, “সংগীত, নাট্যকলা ও নৃত্যকলাকে শুধু সহশিক্ষা কার্যক্রম হিসেবে নয়, বরং শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই। এ জন্য কারিকুলাম উন্নয়নের পাশাপাশি দক্ষ শিক্ষক তৈরির বিষয়ে এখন থেকেই পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।”

সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ দেশের ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন।