মানুষের কল্যাণই বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী
কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমাতে এবং কৃষিখাতে সরাসরি সহায়তা পৌঁছে দিতে ‘কৃষক কার্ড’ চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কৃষকদের বীজ ও কীটনাশক কেনার জন্য এককালীন আড়াই হাজার টাকা সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
শনিবার (১৩ জুন) কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নে ঐতিহাসিক পাতলী-মাছুয়াখালী খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশিদের জন্য ভিয়েতনামের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য সাধারণ মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা। গ্রামীণ জনগোষ্ঠী ও কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। খাল পুনঃখনন উদ্যোগও সেই পরিকল্পনার অংশ, যা কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও সেচ সুবিধা সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখবে।
তিনি জানান, আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় কয়েক হাজার কৃষকের হাতে কৃষক কার্ড পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারি সহায়তা সরাসরি কৃষকদের কাছে পৌঁছানো সহজ হবে।
আরও পড়ুন: স্ত্রীসহ আসিফ মাহমুদের তথ্য-নথি চেয়ে দুদকের চিঠি, বিএফআইইউতে তলব
নারী শিক্ষা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অগ্রগতিতে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানো জরুরি। এজন্য উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত নারীদের জন্য শিক্ষা সহজলভ্য করার পাশাপাশি মেধাবী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদানের উদ্যোগও অব্যাহত থাকবে।
পুনঃখননকৃত পাতলী খালের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, কয়েক দশক আগে শুরু হওয়া এই খাল এলাকার কৃষি ও জনজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। পুনঃখনন সম্পন্ন হলে হাজারো কৃষক সেচ সুবিধা পাবেন এবং চাষাবাদের আওতা আরও বৃদ্ধি পাবে।
বাজেট প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, সরকারের বিভিন্ন কর-সুবিধা ও নীতিগত পদক্ষেপের কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়নি। জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েই অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। উন্নয়নের এ ধারা বজায় রাখতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা, কৃষক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।





