বেনজীরের জামিন বাতিলে দুবাইয়ে ল’ফার্ম নিয়োগ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৬:৪৫ অপরাহ্ন, ০২ অগাস্ট ২০২৬ | আপডেট: ৮:০৩ অপরাহ্ন, ০২ অগাস্ট ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের আদালত থেকে শর্তসাপেক্ষে জামিন পাওয়ার পর সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের জামিন বাতিল এবং তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে আইনি উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। এ লক্ষ্যে দুবাইয়ে একটি আন্তর্জাতিক ল’ফার্ম নিয়োগ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ।

রোববার (২ আগস্ট) রাজশাহীতে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড ঘিরে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ের আদালত থেকে শর্তসাপেক্ষে জামিন পেয়েছেন—বিষয়টি আমরা জেনেছি। তার জামিন আদেশ বাতিলের জন্য বাংলাদেশ সরকার দুবাইয়ে একটি ল’ফার্ম নিয়োগ করেছে। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।”

তিনি আরও বলেন, “জামিনের সার্টিফায়েড কপি সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। আমরা আশা করছি, দ্রুত জামিন বাতিল করা সম্ভব হবে এবং পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা যাবে।”

আরও পড়ুন: তরুণ উদ্ভাবক ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের পাশে থাকবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

এর আগে রোববার দুপুরে বেনজীর আহমেদের জামিন ও মুক্তির বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সদর দপ্তর জানায়, এ বিষয়ে তাদের কাছে তখন পর্যন্ত কোনো দাপ্তরিক তথ্য ছিল না। পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (মিডিয়া) এএইচএম শাহাদাত হোসাইন বলেন, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলো জানাতে পারবে।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৭ জুলাই দুবাইয়ের একটি আদালত বেনজীর আহমেদের জামিন মঞ্জুর করেন। পরে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ৩০ জুলাই তাকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।

তবে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, জামিন পেলেও তার ওপর একাধিক শর্ত আরোপ করা হয়েছে। জামিনের অংশ হিসেবে তার পাসপোর্ট আদালতের হেফাজতে জমা রাখা হয়েছে এবং আদালতের বিশেষ অনুমতি ছাড়া তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত ত্যাগ করতে পারবেন না।

এদিকে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে নিয়োগকৃত ল’ফার্মের মাধ্যমে তার জামিন বাতিল এবং দেশে প্রত্যাবর্তনের জন্য প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ অব্যাহত রয়েছে।