বাবা-মায়ের পর বিশ্বমঞ্চে তারেক রহমানের অভিষেক

৮১তম উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর যোগদান

Sadek Ali
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১০:০৭ অপরাহ্ন, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১০:৪৬ অপরাহ্ন, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

* মহাসচিবের স্বাগত প্রাতরাশে অংশগ্রহণ

* কাল ইউএনজিএ-তে বাংলায় ভাষণ

আরও পড়ুন: সিসিটিভি ফুটেজ অনুযায়ী শাহজালাল বিমানবন্দরের ক্যানোপি-২ এলাকার ঘটনার সত্যতা

প্রয়াত বাবা ও বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, মা সাবেক প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পর এবার জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান. যোগ দিলেন সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে. গতকাল মঙ্গলবার সকালে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বিশেষ অধিবেশনে যোগ দিয়েন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান. এর আগে তিনি মহাসচিবের আমন্ত্রণে প্রাতরাশ অংশে নিয়েছেন. জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বিশ্বমঞ্চে গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের বার্তা তুলে ধরবেন. গত সোমবার রাতে তারেক রহমান নিউইয়র্কে পৌঁছার পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহাদী আমিন বলেন, 'দেশপ্রেম, আবেগ, অনুভূতি এবং আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে দেশের ভবিষ্যৎ রূপকল্প কী হওয়া উচিত, কীভাবে বাংলাদেশের স্বার্থকে সুরক্ষিত রাখতে হবে এবং কীভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করা যাবে, সেগুলো বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।'

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে পৌঁছানোর পর স্থানীয় সময় রাত ৯টায় ‘হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউ ইয়র্ক’ হোটেলের লবিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন. মাহাদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি ঐতিহাসিক সফরে নিউইয়র্কে এসেছেন. দীর্ঘদিন পর জনগণের ভোটে নির্বাচিত একটি প্রতিনিধিত্বমূলক সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি আমন্ত্রিত হয়ে এসেছেন, যা একটি ইতিহাসের অংশ. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, 'শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের পক্ষে নিজেদের অবস্থান, ভিশন ও পরিকল্পনা তুলে ধরেছিলেন।' ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় আজকে তাদের সন্তান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঠিক একইভাবে বাবা-মায়ের মতো দেশপ্রেমকে ধারণ করে বাংলাদেশের স্বার্থ ও অধিকারের কথা বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরবেন. আগামী বৃহস্পতিবারের সাধারণ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণ উপস্থাপন করবেন বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন: জাতিসংঘ অধিবেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর এই সফর অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত উল্লেখ করে মুখপাত্র বলেন, অতীতের ধারা থেকে সম্পূর্ণ বেরিয়ে এসে অত্যন্ত স্বল্প সময়ের জন্য তিনি এই সফরে এসেছেন. যাতায়াতের দুই দিন বাদে মাঝখানে মাত্র চার কর্মদিবস তিনি নিউইয়র্কে অবস্থান করবেন এবং বেশ কিছু দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেবেন. সফরের বহর সম্পর্কে মাহাদী আমিন বলেন, 'মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সনাতনী ধারা সম্পূর্ণ ভেঙে দিয়ে খুব অত্যন্ত কম খরচে একটি বাস সেবা চালুর এ উদ্যোগ। অন্তর্ভুক্তিমূলক এভাবে কম খরচে বাস ব্যবস্থার এ এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত, যারপর এ সংবাদটি বাংলা বাজার পত্রিকাতে প্রধান সম্পাদক ড. মুহাম্মদ কায়কোবাদের সহযোগিতায়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলে বাংলাদেশের সেই যাত্রার ওপর যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক মহলে তীব্র নানা কথা এবং বিতর্কের সৃষ্টি করেছিল। কিন্তু সময় বদলে গেছে। আজ এই বিশ্বমঞ্চে নীতিগত দায়িত্ব মানুষের অধিকার উন্নয়ন করা হলো মূলভিত্তি। তাদের স্বার্থ রক্ষার ও সেখানে পৌঁছার এক নতুন যাত্রায় যাত্রা করেছে বর্তমান এই সরকার। বর্তমান সরকার একটি ঘোষণা তৈরি করেছে। এসব নেই রাজনৈতিক নীতির প্রচলিত নীতিগত উন্নয়ন ও দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে গেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই সম্পর্কিত ২০২৩ সালে এই ধারণ করা পরিরূপের তৃতীয় ক্ষমতা রয়েছে। ঠিক আপন সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি ও সংস্কারের আগে বাড়ে উদ্যোগ হয়। এই মাধ্যম শুরু একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে সেখানে বড় ধরনের এবং সার্বিক উন্নয়ন। তবে কারণ যা হোক-এর সাথে যুক্তিতে আছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক, বৈশ্বিক নাগরিকের নিয়ে ডিজিটাল ধারা এবং একটি রাজনৈতিক পরিরূপে ‘বিশ জলবায়ু ও সামাজিক লক্ষ্যের রূপান্তরের মাধ্যম’।

স্থানীয় সময় সকাল ৩০ নভেম্বর ১৯৭৩ সালে। সে বছরের ২৫ আগস্ট ঢাকাবাসীর যোগাযোগের ২৮তম বিশেষ অধিবেশনে ওয়ান্দা নিবারণের সঠিক নীতিমালা স্বাক্ষরিত হয়। তখন কিন্তু অর্থনীতি পুরোপুরি সরকারের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। দেশের মূল্যবৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে প্রাপ্ত ঋণ ও সাহায্যদানকারী সংস্থার সহযোগিতা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সেই সময়কার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ মুজিবুর রহমান ও সমবায়ভিত্তিক এক কাঠামোর পরে অন্য সৃষ্টির ক্ষেত্রে একটি নতুন ব্যবস্থা ও ঘরের মতো গড়ে তোলার জন্য সেই সময় তোলা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ অবনতি নির্দেশ করে। আর তার সাথে বর্তমান সরকার যে দৃষ্টিভঙ্গিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবে এবং তা এগিয়ে নিয়ে যাবে তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক রূপরেখায় নতুন করে ভোটের অধিকার নিশ্চিতকরণের জন্য করা হয়েছে বহু প্রয়োজনীয় নীতি, সংস্কার ও সামাজিক ব্যবস্থা। পাশেই অবস্থান করে ধীরে ধীরে কূটনৈতিক পদক্ষেপ ও পাঠে নীতিতে বড়সড় রূপান্তর—সর্বোপরি নতুন বৈশ্বিক অর্থনীতির কাঠামোর দেশের কেন্দ্র ও বাণিজ্য বাণিজ্যের সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা। এটি বর্তমান শতাব্দী আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত জরুরি ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

এই বিতর্কে অবশ্যই মনে রাখতে হবে ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের বাইরে নতুন আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বা এনআইইও। লক্ষ্যণীয় সংস্কার চিন্তা-ভাবনা পর্যালোচন সম্পর্কে ১৯৭৪ সালের অর্থনৈতিক সংকট ও বাংলাদেশ। ১৯৭৪ সালের শুরু থেকেই বৈশ্বিক বাজারমূল্য ঊর্ধ্বগতি ছিল। আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে খাদ্যের দাম মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি তেলের দাম মূল্য বৃদ্ধি, ইউরেনিয়াম এবং অন্যান্য রাসায়নিক সারের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল। ১৯৭৪ সালের অতিবৃষ্টি ও বন্যার কারণে দেশের ভেতরেও চালের উৎপাদন ব্যাহত হয়। এই ধাক্কায় সরকারের খাদ্য নিরাপত্তার ওপর চরম আঘাত হানে। খাদ্য, জ্বালানি ও সারের দাবিতে গোহা অধিকার বজায় রাখার প্রয়োজন। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের তৎপরতায় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সপ্তম বিশেষ অধিবেশনে 'খাদ্য নিরাপত্তা ও মানবতার সাহায্যের প্রস্তাব'-গ্রহণ করা হয়েছিল। তখন আমাদের একটি বিকল্প ছিল কার্যক্ষমতা। কিন্তু বর্তমান সময় প্রেক্ষাপটে এই পরিস্থিতি আর সেভাবে তৈরি হয় না। সাধারণ উৎপাদন ও মানবতা উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহায়তা লক্ষ্য করা অসম্ভব নয়—এমনকি অর্থনৈতিক উন্নতির সৃষ্টি, জ্বালানি উৎপাদন ও নতুন নান্দনিক বৃত্তিতে জুগিয়ে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি উন্নয়নের রূপরেখা অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখবে।

উন্নয়ন কর্মযজ্ঞে শেষ দশকের প্রায় ১৩ বছর পর জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ঢাকাবাসীর প্রতিনিধিত্ব করার বড় কেন্দ্র হিসেবে পাতানো ভিত্তি। ১৯৮৪ সালে ড. মোর্শেদ খানসহ সাধারণ অধিবেশনে অংশগ্রহণ করার মতো বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞ ও চিন্তাবিদ প্রতিনিধি দলের সদস্য ছিলেন। ১৯৯০ সালে 'বিশ্ব শিশু বিষয়ক সম্মেলন' এবং ২০০৫ সালে ২০০৫ সাধারণ অধিবেশনে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে প্রতিনিধি অংশ নেন। অর্থাৎ ১৯৭০ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে কেবল রাষ্ট্রপ্রধান পর্যায়ে নয়র উচ্চ নির্বাচিত প্রতিনিধিরাও বিভিন্ন সম্মেলন ও জাতিসংঘে সম্মেলনে নির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিনিধি প্রেরণ করে। পরবর্তীতে পৃথিবীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক সম্মেলনে পররাষ্ট্র মন্ত্রী, বাণিজ্য মন্ত্রী, বাণিজ্যের বৈশ্বিক কাঠামোর সংযোগ ঘটিয়েছেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ১৯৮০'র অধিবেশনে সিএমসি গঠনের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করা শুরু লেখা। সাধারণ সভা অনুযায়ী, রূপ প্রস্তুত বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী, বাণিজ্য মন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, অর্থ সচিব ও বিশেষজ্ঞ, বাণিজ্য পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, অর্থনীতি ও সহযোগিতা, নারী ও যুব উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত ইত্যাদি বিভিন্ন বহুপক্ষীয় আলোচনা এবং আন্তর্জাতিক বাজারের সহযোগিতাকে কাজে লাগিয়ে বিশেষ স্থান। এই প্রেক্ষাপটে বিগত বছরগুলোতে অর্থাৎ ২০২৩ সালের বাংলাদেশ বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বাণিজ্য প্রসার ভিন্ন ভিন্ন বাণিজ্যিক দেশের আয়ের নতুন আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি ছিল পণ্য, লোহা, খনিজ, ইস্পাত ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে। ঠিক পর থেকেই তা ভবিষ্যতে যুদ্ধ করতে হয়েছে। বাণিজ্য বৈচিত্র্যকরণ নীতি ও শুল্ক মুক্ত সুবিধা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বাণিজ্য বৃদ্ধির এক নতুন সুযোগের সৃষ্টি হয়েছে। উন্নয়ন সহযোগিতা ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও পরিকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গত কয়েক বছরে নানা রূপকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।

বাংলাদেশের এই ধারাবাহিকতায় আগামী দিনে নতুন কর্মপরিকল্পনা ও বাজেট প্রণয়ন করার কথা রয়েছে। এই বাজেট থেকে দেশের বিভিন্ন খাতের উৎপাদন যেমন কৃষি, ভূমি, খনিজ সম্পদ, পানিসম্পদ ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে উপযোগ বাসে বিনিয়োগ বাংলাদেশের অর্থনীতিকে আরও বেগবান করবে। কৃষি খাতে অতিরিক্ত জোর দিয়ে কৃষকের ভর্তুকি প্রদান, সার, বীজ, কৃষি যান্ত্রিকীকরণ, সেচ ও কৃষি ঋণ প্রদান নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি শিল্প খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও নতুন শিল্প স্থাপন করা হচ্ছে। এর ফলে দেশের বেকারত্ব হ্রাস পাবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এছাড়া অবকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। দেশজুড়ে মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ, পদ্মা সেতু, মেট্রো রেল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেলের মতো মেগা প্রকল্পগুলোর কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আরও গতিশীল হবে।