কামরাঙ্গীরচরে ১০ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৬:১১ অপরাহ্ন, ০৯ অগাস্ট ২০২৬ | আপডেট: ৭:০৫ অপরাহ্ন, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) আয়োজনে এবং প্লান্ট স্কলারের উদ্যোগে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে ‘বৃক্ষবৃত্তি ও সবুজ নগর গঠন’ কর্মসূচির আওতায় ১০ হাজার বৃক্ষরোপণের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ রোববার ডিএসসিসির ৫৬ নম্বর ওয়ার্ডের বড়গ্রাম ব্যাটারিঘাট সড়ক ও বুড়িগঙ্গা নদীসংলগ্ন এলাকায় এ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

​অনুষ্ঠানে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে দুর্ঘটনায় আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে সিএমএইচে প্রধানমন্ত্রী

​প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেন, "পরিবেশ রক্ষায় শুধু গাছ লাগালেই হবে না; নদী, খাল, ড্রেন ও রাস্তাঘাট পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি সামাজিকভাবে পরিবেশ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।" ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটি নিরাপদ পৃথিবী উপহার দিতে সবাইকে এই আন্দোলনে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

​তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব নেওয়ার আগ থেকেই পরিবেশ সুরক্ষায় বেশি করে গাছ লাগানোর তাগিদ দিয়ে আসছেন। আগামী পাঁচ বছরে দেশজুড়ে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে উল্লেখ করে প্রশাসক বলেন, সুন্দরবন যেমন ঘূর্ণিঝড়ের মতো দুর্যোগ থেকে উপকূলকে রক্ষা করে, তেমনি সারা দেশে ব্যাপকভাবে গাছ লাগানো হলে তা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বড় ভূমিকা রাখবে। এ সময় তিনি শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর তাগিদ দেন।

আরও পড়ুন: চাঁদা না দেওয়ায় লক্ষ্মীপুরে ব্যবসায়ীদের গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ

​পরিচ্ছন্নতা ও নদী সুরক্ষার ওপর জোর দিয়ে প্রশাসক জানান, বুড়িগঙ্গা নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে আগামী শুষ্ক মৌসুমে নদী চ্যানেল খননের উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে ড্রেন ও নদীতে পলিথিন বা বর্জ্য না ফেলার জন্য নাগরিকদের প্রতি অনুরোধ জানান। এ ছাড়া পরিবেশ সুরক্ষার পাশাপাশি মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

​কামরাঙ্গীরচরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার যানবাহন পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকায় প্রবেশের সুবিধার্থে কামরাঙ্গীরচর এলাকায় আট লেনের সড়ক নির্মাণের কাজ চলছে। চলতি অর্থবছরে এ প্রকল্পে ২৩৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রকল্পের ৪৮ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে এবং ২০২৭ সালের জুনের মধ্যে তা সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

​অনুষ্ঠানে বক্তারা বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি , নদী রক্ষা, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।