শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনায় জাপানি প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব দাখিল

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৫:৩৬ অপরাহ্ন, ২৫ অগাস্ট ২০২৬ | আপডেট: ৭:২৯ অপরাহ্ন, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স (Operation & Maintenance) কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে জাপানি প্রতিষ্ঠান Sub Working Group আজ মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বেলা ২টায় বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদরদপ্তরে তাদের প্রস্তাব দাখিল করে।

জাপানি প্রতিষ্ঠান Sub Working Group-এর পক্ষ থেকে মাসাহিরু হিরাই বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক, বিএসপি, জিইউপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, এসিএসসি, পিএসসি-এর নিকট এই প্রস্তাব জমা দেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বেবিচকের অন্যান্য সদস্য এবং জাপানি প্রতিনিধি দলের সদস্যবৃন্দ।

আরও পড়ুন: চীনের তৈরি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার পথে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

প্রস্তাব দাখিলের সময় জাপানি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কারিগরি (Technical) ও আর্থিক (Financial) প্রস্তাবসংবলিত পৃথক ডকুমেন্ট জমা দেওয়া হয়। দাখিলকৃত প্রস্তাবসমূহ বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত RFP Evaluation Committee-এর মাধ্যমে নির্ধারিত পদ্ধতিতে মূল্যায়ন করা হবে। উক্ত মূল্যায়ন কমিটিতে বেবিচকের সদস্য (প্রশাসন), সদস্য (পরিচালনা ও পরিকল্পনা), অর্থ মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) কর্তৃপক্ষ এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রতিনিধিবৃন্দ রয়েছেন।

মূল্যায়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রথমে কারিগরি প্রস্তাব (Technical Proposal) এবং পরবর্তী সময়ে আর্থিক প্রস্তাব (Financial Proposal) মূল্যায়ন করা হবে। মূল্যায়ন শেষে প্রয়োজনীয় আলোচনা ও সমঝোতা (Negotiation) কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে। সফলভাবে Negotiation সম্পন্ন হওয়ার পর নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে চুক্তির তারিখ চূড়ান্ত করা হবে হবে।

আরও পড়ুন: আকাশ প্রতিরক্ষায় চীনের চতুর্থ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান ক্রয়ের চুক্তি প্রস্তুত

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল দেশের বিমান খাতের অন্যতম বৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্প। আধুনিক প্রযুক্তি, আন্তর্জাতিক মানের যাত্রীসেবা এবং দক্ষ অপারেশনাল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতকে আরও শক্তিশালী ও বিশ্বমানের পর্যায়ে উন্নীত করতে এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।