ঢাবিতে তামাক কোম্পানির প্রচারণা ও ‘স্মোকিং জোন’ বন্ধের দাবি

Any Akter
ঢাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৩:৪৯ অপরাহ্ন, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ | আপডেট: ৫:২৯ অপরাহ্ন, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) তামাক কোম্পানির প্রচারণা, ব্র্যান্ড প্রমোশন, ক্যারিয়ারভিত্তিক কার্যক্রম ও করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার (সিএসআর) নামে বিভিন্ন সম্পৃক্ততা বন্ধ এবং ক্যাম্পাসে পৃথক ‘স্মোকিং জোন’ স্থাপনের উদ্যোগ নিষিদ্ধের দাবি জানানো হয়েছে।

এ দাবিতে সোমবার (২৪ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের কাছে দুটি চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট (বাটা)। সংগঠনটির প্রতিনিধি হিসেবে ঢাবির দুই শিক্ষার্থী তারানা জাহিদ সন্ধি ও ফাইয়াজ আনাম স্বনন উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে চিঠি দুটি হস্তান্তর করেন।

আরও পড়ুন: ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা, শুরু ১৪ মার্চ

প্রথম চিঠিতে বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তামাক কোম্পানির প্রচারণা, ব্র্যান্ড প্রমোশন, চাকরি ও ক্যারিয়ারবিষয়ক কার্যক্রম এবং সিএসআরের আড়ালে তামাক কোম্পানির সম্পৃক্ততার বিষয়টি তুলে ধরা হয়। এসব কার্যক্রম বন্ধে বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।

অন্য চিঠিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পৃথক ‘স্মোকিং জোন’ স্থাপনের প্রস্তাব নিয়ে উদ্বেগ জানানো হয়। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা, তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব নীতিমালার আলোকে পৃথক ধূমপান এলাকা তৈরির পরিবর্তে পুরো ক্যাম্পাসে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়।

আরও পড়ুন: ঢাবি অঙ্কন ও চিত্রায়ণ বিভাগের বার্ষিক শিল্পকর্ম প্রদর্শনী শুরু

সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধিরা সংশ্লিষ্ট তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার কপিও উপাচার্যের কাছে তুলে দেন। তারা দাবি করেন, প্রচলিত আইন অনুযায়ী তামাক কোম্পানির সিএসআর কার্যক্রম এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ ক্যাম্পাসে পৃথক ‘স্মোকিং জোন’ স্থাপনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

এ সময় উপাচার্য প্রতিনিধিদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা জানান। যেসব বিষয়ে আইনে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, সেসব ক্ষেত্রে আইন অনুসরণ করতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বাটার প্রতিনিধিরা বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে সুস্থ, নিরাপদ ও তামাকমুক্ত রাখতে শুধু আইন প্রণয়ন নয়, এর কার্যকর বাস্তবায়নও জরুরি। পাশাপাশি তামাক নিয়ন্ত্রণে শিক্ষার্থী ও তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তারা।