দেশে চলমান লোডশেডিং নিয়ে যা বললেন তথ্য উপদেষ্টা
দেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের বর্তমান সংকট ও লোডশেডিং খুব দ্রুত সমাধান হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
তিনি বলেছেন, ‘বিদ্যুৎ সংকটের কারণে যে লোডশেডিং হচ্ছে, তার বোঝা এবার শহর ও গ্রামাঞ্চলের মধ্যে তুলনামূলকভাবে সুষমভাবে ভাগ করে নেওয়া হচ্ছে।’
জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘লোডশেডিং নিয়ে একটা বিস্তারিত ডেটা আপনাদের দেওয়ার চেষ্টা করছি। লোডশেডিং নিয়ে এটুকু বলি, জ্বালানি নিয়ে প্রচুর কথাবার্তা হয়েছে। আশা করছি যে পরিমাণ লোডশেডিং আছে, সেটা বেশ খানিকটা কমে আসবে উইদিন আ ভেরি শর্ট পিরিয়ড।’
আরও পড়ুন: ৪৫ বছর পর মিলল জিয়া হত্যার নতুন তথ্য
তিনি বলেন, ‘ঢাকায় বসবাসকারীরা সাম্প্রতিক সময়ে এমন লোডশেডিং দেখছেন, যা আগে তুলনামূলকভাবে কম ছিল। অতীতে ঢাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করে গ্রামাঞ্চলে বেশি লোডশেডিং দেওয়া হতো। তবে বর্তমান সরকার সংকটের বোঝা সবাইকে ভাগ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘একটি বড় শহরে বিদ্যুৎ বেশি দিতে হবে এই জন্য না যে এখানে পাওয়ারফুল মানুষরা থাকে, এটা এই জন্য যে বড় শহরগুলোতে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেশি থাকে। সেই কারণে নীতিগতভাবে একটা প্রবণতা আছে। কিন্তু যেহেতু এই সিদ্ধান্ত সরকার নিয়েছে, লোডশেডিংটা সবাই ভাগ করে নেবে, তাই ঢাকায় এখন লোডশেডিং দেখছি আমরা।’
তিনি বলেন, ‘অতীতে আওয়ামী লীগ সরকার এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ‘আনইন্টারাপ্টেড বিদ্যুৎ’ সরবরাহের যে দাবি করা হয়েছিল, বাস্তবে তখন কতটা লোডশেডিং হয়েছিল, তার তথ্যও প্রকাশ করা হবে।’
প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, ‘আপনারা খোঁজ নিয়ে দেখবেন, আশা করি আগামী সপ্তাহে আপনাদের আমি সেই ডেটাটাও দেব। ওই ডেটাটা নিয়ে আমি কাজ করছি। ওই সময়ও কী পরিমাণ লোডশেডিং আসলে ছিল, কত মেগাওয়াটের লোডশেডিং হয়েছে।’
বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণ তুলে ধরে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘জ্বালানি ঘাটতি, বিদ্যুৎকেন্দ্রের আকস্মিক যান্ত্রিক ত্রুটি, রক্ষণাবেক্ষণ, সঞ্চালন গ্রিডের সীমাবদ্ধতা এবং দ্রুত বাড়তে থাকা চাহিদার কারণে সংকট তৈরি হয়েছে।’





