চিনিকল চালু ও পণ্য বহুমুখীকরণের তাগিদ বিএসএফআইসি সেমিনারে
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের (বিএসএফআইসি) চিনিকলগুলোর বিদ্যমান সংকট নিরসন, উৎপাদনশীলতা বাড়ানো এবং বন্ধ মিলগুলো পুনরায় চালুর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে এক সেমিনারে। একই সঙ্গে মিলের উপজাত ব্যবহার করে পণ্যের বহুমুখীকরণ ও কৃষিভিত্তিক শিল্পায়নের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানকে লাভজনক করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
‘বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের (বিএসএফআইসি) মিলসমূহের বিদ্যমান সংকট নিরসন ও তা থেকে উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক সেমিনারটি গত ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ১০টায় বিএসএফআইসির চিনিশিল্প ভবনের বোর্ডরুমে অনুষ্ঠিত হয়। জিয়া পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এ সেমিনারে চিনিকলগুলোর বিভিন্ন সমস্যা ও সংকট থেকে উত্তরণের সম্ভাব্য উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
আরও পড়ুন: লংমার্চ রাজপথের ষড়যন্ত্র, গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা: রিজভী
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসএফআইসির চেয়ারম্যান মো. শামছুজ্জামান সুরুজ। এছাড়া সংস্থার পরিচালক (ইক্ষু উন্নয়ন ও গবেষণা) ড. আব্দুল আলীম খান, জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. গোলাম রব্বানী, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আশরাফ সরকার (জুয়েল)সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে যুক্ত ছিলেন বিএসএফআইসির পরিচালকবৃন্দ, সচিব, বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, জিয়া পরিষদের সভাপতি মো. আবু রায়হান, সহসভাপতি মো. হাসানুজ্জামান এবং করপোরেশনের আওতাধীন বিভিন্ন চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কর্মকর্তারা।
আরও পড়ুন: ঢাকার চারপাশে বৃত্তাকার নৌ পথ দ্রুত উন্নয়নের নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর
প্রধান অতিথির বক্তব্যে চেয়ারম্যান মো. শামছুজ্জামান সুরুজ বলেন, দেশের বন্ধ কলকারখানা পুনরায় চালু, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির লক্ষ্যে বন্ধ চিনিকলগুলোকে পুনরায় সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, চিনিকলগুলোর লোকসান কমিয়ে লাভজনক পর্যায়ে নিতে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে মিল থেকে উৎপন্ন উপজাত বা বাই-প্রোডাক্ট কার্যকরভাবে ব্যবহার করে নতুন পণ্য উৎপাদন এবং পণ্যের বহুমুখীকরণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি কৃষিভিত্তিক শিল্পায়নের মাধ্যমে করপোরেশনকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের পরিকল্পনাও রয়েছে।
সেমিনারে চিনিকলগুলোর উৎপাদন বাড়ানো, বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করা এবং সংকট কাটিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোকে গতিশীল করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
সমাপনী বক্তব্যে বিএসএফআইসি চেয়ারম্যান গৃহীত উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন।





