সিভিল এভিয়েশন একাডেমিতে প্রথমবারের মতো আইএলএস রক্ষণাবেক্ষণ প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

Shahrier Islam Pallab
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৭:৩১ অপরাহ্ন, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ৯:৩৫ অপরাহ্ন, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সিভিল এভিয়েশন একাডেমিতে প্রথমবারের মতো ইনস্ট্রুমেন্ট ল্যান্ডিং সিস্টেম (আইএলএস) রক্ষণাবেক্ষণবিষয়ক বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ কোর্স সম্পন্ন হয়েছে। পাঁচ দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণে দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দর ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ১৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী অংশ নেন।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) প্রশিক্ষণ কোর্সটি শেষ হয়। বেবিচকের ২০২৬–২০২৭ অর্থবছরের প্রশিক্ষণ পরিকল্পনার আওতায় গত ১১ অক্টোবর এ কোর্স শুরু হয়েছিল।

আরও পড়ুন: ভায়াগ্রা ও নিষিদ্ধ প্রসাধনীসহ সোয়া কোটি টাকার পণ্য জব্দ

আইএলএস উড়োজাহাজের নিরাপদ অবতরণে সহায়তাকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ নেভিগেশন ব্যবস্থা। বিশেষ করে প্রতিকূল আবহাওয়া ও দৃশ্যমানতা কম থাকলে উড়োজাহাজকে অবতরণের সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে এ ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর কার্যকারিতা ও নির্ভরযোগ্যতা বজায় রাখতে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং কারিগরি ত্রুটি দ্রুত শনাক্ত করে সমাধান করা জরুরি।

প্রশিক্ষণে আইএলএসের কার্যপদ্ধতি, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ, সম্ভাব্য কারিগরি ত্রুটি শনাক্তকরণ ও সমস্যা সমাধানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। এর মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীদের কারিগরি জ্ঞান ও দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিজ নিজ কর্মস্থলে আরও কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালনের উপযোগী করে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, গ্রেপ্তার ৫

বেবিচক আশা করছে, এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান দেশের বিমানবন্দরগুলোতে আইএলএস রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে সহায়তা করবে। পাশাপাশি কারিগরি ত্রুটিজনিত বিঘ্ন কমানো, যন্ত্রপাতির নির্ভরযোগ্যতা বজায় রাখা এবং দ্রুত সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা বাড়বে। দেশীয় দক্ষ জনবল তৈরির মাধ্যমে বিদেশি বিশেষজ্ঞ ও বাইরের কারিগরি সহায়তার ওপর নির্ভরশীলতা কমানোরও সুযোগ তৈরি হবে।

প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বেবিচক সদর দপ্তরের পরিচালক (সিএনএস) প্রশান্ত কুমার সাহা এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উপপরিচালক (সিএনএস) কাজী শামসুল আলম।

সিভিল এভিয়েশন একাডেমিতে প্রথমবারের মতো এ ধরনের প্রশিক্ষণ আয়োজনকে বেবিচকের কারিগরি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণ ও দক্ষ জনবল গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ দেশের বিমানবন্দরগুলোর নেভিগেশন সহায়ক ব্যবস্থার রক্ষণাবেক্ষণ সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপদ ও দক্ষ বিমান চলাচল নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখবে।