তাদের প্রটোকল দরকার হলে তিনগুণ বাড়িয়ে দিন: তারেক রহমান
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান কোনো রাজনৈতিক দলের নাম উল্লেখ না করে বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে তার অনুরোধ—যাদের প্রটোকল প্রয়োজন, তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা তিনগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হোক।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে মৌলভীবাজারের শেরপুর উপজেলার আইনপুরে আয়োজিত এক নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: রামিসার পরিবারকে সমবেদনা জানালেন রিজভী, বিচার নিশ্চিতের আশ্বাস
তারেক রহমান বলেন, “বিএনপির পক্ষ থেকে এবং লাখো জনতার পক্ষ থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের অনুরোধ করব—তাদের যদি প্রটোকল দরকার হয়, তাহলে তিন ডাবল করে দিন। কারণ তারা মানুষকে বিভ্রান্ত করছে, আর মানুষ এখন তা বুঝতে পেরেছে।”
তিনি বলেন, “মানুষ তাদের ওপর ক্ষিপ্ত হচ্ছে। আমরা চাই না ক্ষুব্ধ মানুষ কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি করুক। সে কারণেই সরকারের কাছে অনুরোধ থাকবে—বিএনপিকে যে নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে, তার তিনগুণ নিরাপত্তা তাদের দিন।”
আরও পড়ুন: মানুষ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ঈদ উদযাপন করছে: রিজভী
আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, “দেশকে বাঁচাতে হলে আগামী মাসের ১২ তারিখে যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, সেখানে আমাদের জয়ী হতে হবে। এই দেশের অসংখ্য মানুষ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য বুকের তাজা রক্ত দিয়েছে, অনেকেই গুম ও খুনের শিকার হয়েছেন।”
ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চেয়ে তিনি বলেন, “আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে যদি দেশে গণতন্ত্রের সূচনা করতে চাই এবং মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাতে চাই, তাহলে কোথায় সিল মারতে হবে—ধানের শীষেই আমাদের সিল মারতে হবে।”
দেশ পুনর্গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, “আমাদের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া পুনরায় চালু করতে হবে, মানুষের কথা বলার অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। একমাত্র কোন দল এই নিশ্চয়তা দিতে পারে? ধানের শীষই পারে সেই নিশ্চয়তা দিতে।”
বিগত বিএনপি আমলের নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “এখানে অনেক মুরুব্বি উপস্থিত আছেন—আপনারা সাক্ষী, যখনই ধানের শীষ দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিল, তখন পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদসহ সব নির্বাচন আল্লাহর রহমতে মোটামুটি সুষ্ঠুভাবেই অনুষ্ঠিত হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে মানুষ মন খুলে কথা বলতে পেরেছে, সরকারের সমালোচনা করতে পেরেছে। সরকারের কোনো ভুল হলে মানুষ তা নির্ভয়ে বলতে পেরেছে। তখন কাউকে গুম বা খুনের শিকার হতে হয়নি।”





