ফকিরখালী বিএনপির ঘাঁটি, রাজাকারদের সব ষড়যন্ত্র রুখে দেবে জনগণ: ড. এম এ কাইয়ুম

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৬:১৩ অপরাহ্ন, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৮:০৪ অপরাহ্ন, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও দলের ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক সম্পাদক ড. এম এ কাইয়ুম বলেছেন, ফকিরখালী বিএনপির শক্ত ঘাঁটি। এই এলাকার মানুষ যতবার ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে, ততবারই বিএনপিকে ভোট দিয়েছে। যারা রাজাকারদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে, তাদের শত ষড়যন্ত্র ফকিরখালীর জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দেবে।

ফকিরখালী এলাকায় গণসংযোগকালে ড.এম এ কাইয়ুম এ কথা বলেন।

আরও পড়ুন: ‘প্রত্যাশিত বাংলাদেশ’ গড়তে ধানের শীষে সমর্থন চাইলেন তারেক রহমান

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক এই প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বলেন, রাজাকারেরা ছিল স্বাধীনতার বিরোধী শক্তি। তারা ১৯৭১ সালে তিন লক্ষ মা-বোনের সম্মানহানি করেছে এবং ৩০ লক্ষ মানুষ হত্যায় সহযোগিতা করেছে। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী এই অপশক্তির বাংলাদেশের রাজনীতিতে কোনো ঠাঁই নেই। ভোটের মাধ্যমেই এবার জনগণ রাজাকারদের রুখে দেবে।

তিনি বলেন, একটি মহল ইসলামের নামে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। অথচ হেফাজতে ইসলামের আমির নিজেই বলেছেন-জামায়াতে ইসলাম কোনো ইসলামী দল নয় এবং কোনো মুসলমান যদি জামায়াতে ইসলামকে ভোট দেয়, সেটি হারাম হবে। এটি পরিষ্কার প্রমাণ করে যে তারা ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করছে।

আরও পড়ুন: বিএনপির কাইয়ুমের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে এবার আপিল বিভাগে নাহিদ

বিএনপির প্রার্থী ড. কাইয়ুম অভিযোগ করে বলেন, গত ১৭ বছর দেশে ভোটারবিহীন সরকার কায়েম ছিল। জনগণের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে। এর ফলে ফকিরখালীসহ এই এলাকার কোনো বাস্তব উন্নয়ন হয়নি। রাস্তা-ঘাট, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান-সব ক্ষেত্রেই এই এলাকা অবহেলিত থেকেছে।

তিনি বলেন, ইনশাআল্লাহ এবার জনগণের সামনে সুযোগ এসেছে। ধানের শীষে ভোট দিয়ে উন্নয়নের পথে ফকিরখালীকে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ এসেছে।

বিএনপি ক্ষমতায় এলে জনগণের মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হবে এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে।

ফকিরখালীবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সবাই ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজ নিজ ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। আপনার একটি ভোটই পারে এই এলাকা থেকে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজদের রুখে দিতে।

বিএনপির ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক বলেন, এই এলাকার উন্নয়নের জন্য আমরা সবাই মিলেমিশে কাজ করার অঙ্গীকার করছি। রাজনৈতিক বিভেদ ভুলে ফকিরখালীর সার্বিক উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।